চসিকের অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী করার ঘোষণা মেয়রের

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে কর্মরত কর্মচারীদের ধাপে ধাপে স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে ডোর টু ডোর প্রকল্পের শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মেয়র এ কথা বলেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অস্থায়ী কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের শ্রম, নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের চাকরি পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অস্থায়ীভাবে কর্মরত কয়েক শ শিক্ষক, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। এতে কর্মচারীদের মধ্যে দায়বদ্ধতা ও কাজের আগ্রহ বাড়বে। তিনি বলেন, দক্ষ, স্বচ্ছ ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে কর্মচারীদের চাকরির স্থায়ীকরণ গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করতে কর্মীদের কল্যাণে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মেয়র জানান, যেসব পদ জনবল কাঠামোতে রয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র আছে, সেসব পদে অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী করা হচ্ছে। অন্যান্য পদে স্থায়ীকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্য

চসিকের অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী করার ঘোষণা মেয়রের

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে কর্মরত কর্মচারীদের ধাপে ধাপে স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে ডোর টু ডোর প্রকল্পের শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মেয়র এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অস্থায়ী কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের শ্রম, নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের চাকরি পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অস্থায়ীভাবে কর্মরত কয়েক শ শিক্ষক, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। এতে কর্মচারীদের মধ্যে দায়বদ্ধতা ও কাজের আগ্রহ বাড়বে।

তিনি বলেন, দক্ষ, স্বচ্ছ ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে কর্মচারীদের চাকরির স্থায়ীকরণ গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করতে কর্মীদের কল্যাণে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মেয়র জানান, যেসব পদ জনবল কাঠামোতে রয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র আছে, সেসব পদে অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী করা হচ্ছে। অন্যান্য পদে স্থায়ীকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত। অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডোর টু ডোর প্রকল্পের শ্রমিকদের বিষয়ে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের প্রায় দুই হাজার শ্রমিক এ প্রকল্পের আওতায় কাজ করছেন। নিয়োগপত্র না থাকায় তাদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনা কঠিন হচ্ছে। তাই তাদের নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে কাজে গাফিলতি করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে বরখাস্ত করে নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হবে।

সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন এবং প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এমআরএম/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow