চাঁদা নিতে যাওয়া এনসিপি নেতাকে ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় এক বাড়িতে রাতে চাঁদাবাজি করতে গেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী এম এ তাফসীর হাসানসহ (৩০) দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় বোচাগঞ্জ উপজেলার বারেয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এম এ তাফসীর হাসান ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও পরে আর জমা দেননি। এই ঘটনায় রোববার সকালে বারেয়া গ্রামের মৃত সাকুরা রাম রায়ের ছেলে সন্তোষ কুমার রায় (৪০) বাদী হয়ে বোচাগঞ্জ থানায় একটি চাঁদাবাজির এজাহার দায়ের করেছেন। গ্রেফতাররা হলেন- বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা (কলেজ রোড) এলাকার মৃত শমসের আলীর ছেলে এম এ তাফসীর হাসান (৩৩) ও ভরড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মঞ্জুর আলম (৩৬)। তাফসীর হাসান এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে তা দাখিল করেননি। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদীসহ তার পরিবারের সদস্যরা শনিবার রাত ৮টায় খাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ৯টায় আসামিরা হাতে লোহার পাইপ ও স্টিলের লাঠিসহ বাড়ির সামনে এসে ডাকাডা

চাঁদা নিতে যাওয়া এনসিপি নেতাকে ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় এক বাড়িতে রাতে চাঁদাবাজি করতে গেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী এম এ তাফসীর হাসানসহ (৩০) দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় বোচাগঞ্জ উপজেলার বারেয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

এম এ তাফসীর হাসান ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও পরে আর জমা দেননি।

এই ঘটনায় রোববার সকালে বারেয়া গ্রামের মৃত সাকুরা রাম রায়ের ছেলে সন্তোষ কুমার রায় (৪০) বাদী হয়ে বোচাগঞ্জ থানায় একটি চাঁদাবাজির এজাহার দায়ের করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন- বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা (কলেজ রোড) এলাকার মৃত শমসের আলীর ছেলে এম এ তাফসীর হাসান (৩৩) ও ভরড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মঞ্জুর আলম (৩৬)। তাফসীর হাসান এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে তা দাখিল করেননি।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদীসহ তার পরিবারের সদস্যরা শনিবার রাত ৮টায় খাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ৯টায় আসামিরা হাতে লোহার পাইপ ও স্টিলের লাঠিসহ বাড়ির সামনে এসে ডাকাডাকি করেন। পরে তারা নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দেন। এসময় বাড়ির গেট খুলে দিলে তারা প্রবেশ করে বাদীর বড় ভাই পরিমল চন্দ্র রায়কে খোঁজ করেন ও আসবাবপত্র ওলটপালট করতে থাকেন। এক পর্যায়ে পরিমল চন্দ্র রায়ের স্ত্রীকে হুমকি প্রদান করে বলেন ‘তোর স্বামীকে বের করে দে। না দিলে তোর ট্রাংকের চাবি দে। নচেৎ সবাইকে মেরে ফেলবো।’

এসময় পরিবারের লোকজনদের বিভিন্ন প্রকারের ভয়ভীতি ও হুমকি দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে পরিবারের লোকজনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে আটক করে। এসময় তার অন্যান্য সঙ্গীরা পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আটক ২ জনকে বোচাগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

বোচাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, রাতে তাদেরকে স্থানীয়রা থানায় সোপর্দ করেছে। এই ঘটনায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোটরসাইকেল, লোহার পাইপ, স্টিলের তৈরি লাঠি, ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ছোট ক্যামেরাসহ অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এমদাদুল হক মিলন/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow