চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রুখতে হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা-১৬ (পল্লবী ও রূপনগর) নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও যে কোনো ধরনের অনিয়ম রুখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এ ছাড়াও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সোমবার (২ মার্চ) জানানো হয়, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এখন থেকে উক্ত এলাকার যেকোনো নাগরিক চাঁদাবাজি বা অনিয়মের শিকার হলে সরাসরি ০১৫৫২-১৬১৬১৬ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এই উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকাকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখাই আমার প্রধান লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজ বরদাস্ত করা হবে না। এই হটলাইনের মাধ্যমে আমি সরাসরি জনগণের সমস্যাগু
ঢাকা-১৬ (পল্লবী ও রূপনগর) নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও যে কোনো ধরনের অনিয়ম রুখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
এ ছাড়াও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন।
প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সোমবার (২ মার্চ) জানানো হয়, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এখন থেকে উক্ত এলাকার যেকোনো নাগরিক চাঁদাবাজি বা অনিয়মের শিকার হলে সরাসরি ০১৫৫২-১৬১৬১৬ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
এই উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকাকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখাই আমার প্রধান লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজ বরদাস্ত করা হবে না। এই হটলাইনের মাধ্যমে আমি সরাসরি জনগণের সমস্যাগুলো তদারকি করতে চাই।’
সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা প্রতিমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
What's Your Reaction?