চাঁদাবাজির তকমা দিয়ে নির্বাচন করা যাবে না : মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, চাঁদাবাজির তকমা লাগিয়ে নির্বাচন করা যাবে না। যারা এসব অভিযোগ তুলছে, প্রকৃত চাঁদাবাজি তারাই করছে। তাহলে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না কেন? যারা লাল কার্ড দেখানোর কথা বলছেন, ১২ তারিখে জনগণই তাদের লাল কার্ড দেখাবে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মালিবাগের গুলবাগ এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আব্বাস বলেন, আমি চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি আমার দোষ। এটাকে হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কোথায় কী হয়ে যায়—সব দোষ যেন আমারই। তবে যে যত কথাই বলুক, আমি কারও ফাঁদে পা দেব না। আমি আমার ভোট চাইবো, আপনারাও ভোট চান। কিন্তু এলাকার জন্য কী করেছেন, আর কী করবেন—তা জনগণের সামনে তুলে ধরুন। তিনি বলেন, আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহরজুড়ে আমার আত্মীয়স্বজন ও পরিচিত মানুষ রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় এ এলাকার মানুষ হাত তুলে আমাকে সমর্থন দিয়েছে। পুলিশি হামলার সময় বিভিন্ন মার্কেটে আশ্রয় নিয়েছি। অন্য প্রার্থীরা কি আন্দোলনে এমন ভূমিকা রেখেছে? সাবেক এই মন্ত

চাঁদাবাজির তকমা দিয়ে নির্বাচন করা যাবে না : মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, চাঁদাবাজির তকমা লাগিয়ে নির্বাচন করা যাবে না। যারা এসব অভিযোগ তুলছে, প্রকৃত চাঁদাবাজি তারাই করছে। তাহলে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না কেন? যারা লাল কার্ড দেখানোর কথা বলছেন, ১২ তারিখে জনগণই তাদের লাল কার্ড দেখাবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মালিবাগের গুলবাগ এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমি চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি আমার দোষ। এটাকে হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কোথায় কী হয়ে যায়—সব দোষ যেন আমারই। তবে যে যত কথাই বলুক, আমি কারও ফাঁদে পা দেব না। আমি আমার ভোট চাইবো, আপনারাও ভোট চান। কিন্তু এলাকার জন্য কী করেছেন, আর কী করবেন—তা জনগণের সামনে তুলে ধরুন।

তিনি বলেন, আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহরজুড়ে আমার আত্মীয়স্বজন ও পরিচিত মানুষ রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় এ এলাকার মানুষ হাত তুলে আমাকে সমর্থন দিয়েছে। পুলিশি হামলার সময় বিভিন্ন মার্কেটে আশ্রয় নিয়েছি। অন্য প্রার্থীরা কি আন্দোলনে এমন ভূমিকা রেখেছে?

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় কিছু অতিথি পাখি দেখা যায়, পরে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আমি ১৯৯১ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কেউ বলতে পারবে না আমাকে পাওয়া যায়নি। আমি অনেকবার এমপি ছিলাম। কেউ বলতে পারবে না আমার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে গেছে। তবে যা পারবো না, তার মিথ্যা আশ্বাস দেইনি।

তিনি আরও বলেন, কিছু নতুন মুখ আজ বড় বড় কথা বলছে। কয়জন মানুষের পাশে তারা দাঁড়িয়েছে? কয়জনের জানাজা বা বিয়েতে গেছে? অথচ দাবি করে—এলাকা তাদের।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ভাবটা এমন করা হচ্ছে যেন বিএনপি ক্ষমতায়। আওয়ামী লীগকে যেভাবে সরানো হয়েছে, বিএনপিকেও সেভাবে তাড়ানো হবে। বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি। সবকিছুর দায় বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। এখন থেকেই দেশে অশান্ত পরিবেশ তৈরির ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

প্রচারণা শেষে তিনি শাহজাহানপুর মালিবাগ প্রথম লেন থেকে মৌচাক মোড় হয়ে মালিবাগ মোড় ও রাজারবাগ পুলিশ গেট এলাকায় গণসংযোগ করেন। পরে ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow