চাকরি মিলছে না যুক্তরাজ্যে, হতাশ তরুণরা

যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশটি একটি হারানো প্রজন্মের মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে একটি পর্যালোচনাকারী দল। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী কর্মহীন ও শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণদের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে ১২ লাখ ৫০ হাজারে পৌঁছাতে পারে, যা হবে প্রতি ছয়জন তরুণের মধ্যে একজন। এই পর্যালোচনার নেতৃত্ব দেন সাবেক শ্রমমন্ত্রী অ্যালান মিলবার্ন। তিনি বলেন, আমরা একটি হারানো প্রজন্মের ঝুঁকিতে আছি। তার ভাষায়, অসংখ্য তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে প্রবেশ করেই দেখছে, সুযোগের দরজা তাদের জন্য বন্ধ। ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস অঞ্চলের ২৩ বছর বয়সী শানা ফাতালি গত দুই বছর ধরে চাকরি খুঁজছেন। তিনি বলেন, তরুণরা কাজ করতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা বদলে গেছে। শুধু সিভি জমা দিলেই এখন চাকরি পাওয়া যায় না। চার বছরের সন্তানের মা ফাতাহালি জানান, তার পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে

চাকরি মিলছে না যুক্তরাজ্যে, হতাশ তরুণরা

যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশটি একটি হারানো প্রজন্মের মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে একটি পর্যালোচনাকারী দল।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী কর্মহীন ও শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণদের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে ১২ লাখ ৫০ হাজারে পৌঁছাতে পারে, যা হবে প্রতি ছয়জন তরুণের মধ্যে একজন।

এই পর্যালোচনার নেতৃত্ব দেন সাবেক শ্রমমন্ত্রী অ্যালান মিলবার্ন। তিনি বলেন, আমরা একটি হারানো প্রজন্মের ঝুঁকিতে আছি।

তার ভাষায়, অসংখ্য তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে প্রবেশ করেই দেখছে, সুযোগের দরজা তাদের জন্য বন্ধ।

ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস অঞ্চলের ২৩ বছর বয়সী শানা ফাতালি গত দুই বছর ধরে চাকরি খুঁজছেন। তিনি বলেন, তরুণরা কাজ করতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা বদলে গেছে। শুধু সিভি জমা দিলেই এখন চাকরি পাওয়া যায় না।

চার বছরের সন্তানের মা ফাতাহালি জানান, তার পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে মানানসই কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় ডিপ্লোমা থাকা সত্ত্বেও তিনি চাকরি পাচ্ছেন না।

আরেক তরুণী ফাইথ, যিনি অপরাধবিদ্যায় মাস্টার্স করছেন, জানান যে তিনি পার্ট-টাইম চাকরির জন্য কফিশপ ও পাবসহ বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেও কোনো সাড়া পাননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরুণদের জন্য এন্ট্রি-লেভেলের চাকরি, যেমন আতিথেয়তা খাতের কাজ ও শিক্ষানবিশের সুযোগ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গত বছর যুব বেকারত্বের কারণ খুঁজে বের করতে এই পর্যালোচনা কমিশন করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিসংখ্যানের আড়ালে রয়েছে অসংখ্য তরুণের বাস্তব সংগ্রাম, যারা নানা বাধার মুখে ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow