চাকা বদলাতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা-ছেলে 

মধ্যরাতে পাংচার হওয়া চাকা বদলাতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা-ছেলে। অন্যের গাড়ির নিচে পড়ে মুহূর্তেই পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারাল দুজনই।  শনিবার ভোরে (১৬ মে) ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বগাইল টোলপ্লাজা সংলগ্ন বামনকান্দা নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইউসুফ আলী (৫৬) যশোর জেলা সদরের বাসিন্দা ও তার ছেলে ইয়াকুব আলী (২৬)। ইউসুফ আলী ট্রাকের চালক ছিলেন। পুলিশ ও সঙ্গীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীর বাবুরহাট এলাকা থেকে কাপড়-লুঙ্গিবোঝাই একটি ট্রাক, চালক ইউসুফ আলী ও তার সহকারী, তারই ছেলে ইয়াকুব আলীসহ সিকিউরিটি সজীবকে নিয়ে খুলনা বড়বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বগাইল টোলপ্লাজা সংলগ্ন বামনকান্দায় ভোর ৫টার দিকে ট্রাকের পিছনের ডান পাশের একটি চাকা ফেটে যায়। চালক তখন এক্সপ্রেসওয়ের বামপাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে চাকা পরিবর্তন কাজে ব্যস্ত থাকেন। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত গাড়ি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বাবা-ছেলের শরীর। সেখানে থাকা সিকিউরিটি সবুজ ওদের নিকট থেকে ট্রাকে ঘুমাতে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। খবর পেয়ে শিবচর হাইওয়ে থানার পুলিশ

চাকা বদলাতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা-ছেলে 
মধ্যরাতে পাংচার হওয়া চাকা বদলাতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা-ছেলে। অন্যের গাড়ির নিচে পড়ে মুহূর্তেই পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারাল দুজনই।  শনিবার ভোরে (১৬ মে) ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বগাইল টোলপ্লাজা সংলগ্ন বামনকান্দা নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইউসুফ আলী (৫৬) যশোর জেলা সদরের বাসিন্দা ও তার ছেলে ইয়াকুব আলী (২৬)। ইউসুফ আলী ট্রাকের চালক ছিলেন। পুলিশ ও সঙ্গীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীর বাবুরহাট এলাকা থেকে কাপড়-লুঙ্গিবোঝাই একটি ট্রাক, চালক ইউসুফ আলী ও তার সহকারী, তারই ছেলে ইয়াকুব আলীসহ সিকিউরিটি সজীবকে নিয়ে খুলনা বড়বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বগাইল টোলপ্লাজা সংলগ্ন বামনকান্দায় ভোর ৫টার দিকে ট্রাকের পিছনের ডান পাশের একটি চাকা ফেটে যায়। চালক তখন এক্সপ্রেসওয়ের বামপাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে চাকা পরিবর্তন কাজে ব্যস্ত থাকেন। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত গাড়ি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বাবা-ছেলের শরীর। সেখানে থাকা সিকিউরিটি সবুজ ওদের নিকট থেকে ট্রাকে ঘুমাতে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। খবর পেয়ে শিবচর হাইওয়ে থানার পুলিশ গিয়ে নিহতদের উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিবারের কাছে বাবা-ছেলের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। সঙ্গে থাকা সিকিউরিটি সবুজ জানান, আজ আমিও ওদের সঙ্গে লাশ হওয়ার কথা ছিল। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করবেন বলেই আমাকে ঘুম দিয়ে ওদের থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। পরে পুলিশ আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুললে ওদের ছিন্নভিন্ন মরদেহ দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি। চালক ইউসুফ আলীর পরিবারের উপার্জনক্ষম ছিল তারা দুজন। ইউসুফ আলীর আরেকটি ছেলে প্রতিবন্ধী। শিবচর হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শাহাদাত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহত বাবা-ছেলের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow