চাচির প্রতি ক্ষোভে চাচাতো ভাইকে হত্যা
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে চাচির প্রতি দীর্ঘদিনের ক্ষোভে সিরাজুল আল শামস (৭) নামে এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই আমানুর ইসলামের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে পাশের একটি মাদ্রাসা কক্ষে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত শিশু সিরাজুল আল শামস নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের আমরুলবাড়ি গ্রামের মমিনুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আমানুর ইসলাম কৌশলে শিশুটিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে পাশের একটি মাদ্রাসার কক্ষে নিয়ে শ্বাসরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর নিশ্চিত হয়ে মরদেহটি পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে আসে। পরবর্তীতে শিশুটির মা ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে আমানের কাছে জানতে চাইলে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে চাচির প্রতি দীর্ঘদিনের ক্ষোভে সিরাজুল আল শামস (৭) নামে এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই আমানুর ইসলামের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে পাশের একটি মাদ্রাসা কক্ষে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত শিশু সিরাজুল আল শামস নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের আমরুলবাড়ি গ্রামের মমিনুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আমানুর ইসলাম কৌশলে শিশুটিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে পাশের একটি মাদ্রাসার কক্ষে নিয়ে শ্বাসরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর নিশ্চিত হয়ে মরদেহটি পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে আসে।
পরবর্তীতে শিশুটির মা ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে আমানের কাছে জানতে চাইলে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আমানুর ইসলামকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আমানের জবানবন্দি অনুযায়ী চাচীর প্রতি ক্ষোভ এবং সম্পত্তিগত বিরোধ থেকেই তার মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ তৈরি হয়, যা থেকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
What's Your Reaction?