চাটখিলে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ ভুক্তভোগীর
নোয়াখালীর চাটখিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিকের নাম ও ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালানো এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামরুল ইসলাম কানন চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম কানন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের নোয়াখালী প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) এবং নোয়াখালী টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই কামরুল ইসলাম কানন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন নিয়ে একটি সচেতনতামূলক পোস্ট দেন। পোস্টটিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাম-পরিচয় উল্লেখ ছিল না। তবে পোস্টটি দেওয়ার পরপরই চাটখিল উপজেলার নয়নপুর এলাকার মো. সুমন, মোহন (প্রকাশ 'ঠোঁট কাটা মোহন') ও মহিন নামে তিন ব্যক্তি নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক কাননের নাম ও ছবি বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেন এবং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত সুমন ও মোহন এলাকায় যুবদলের পরিচয় দিয়ে এবং নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যার
নোয়াখালীর চাটখিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিকের নাম ও ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালানো এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামরুল ইসলাম কানন চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম কানন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের নোয়াখালী প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) এবং নোয়াখালী টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই কামরুল ইসলাম কানন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন নিয়ে একটি সচেতনতামূলক পোস্ট দেন। পোস্টটিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাম-পরিচয় উল্লেখ ছিল না। তবে পোস্টটি দেওয়ার পরপরই চাটখিল উপজেলার নয়নপুর এলাকার মো. সুমন, মোহন (প্রকাশ 'ঠোঁট কাটা মোহন') ও মহিন নামে তিন ব্যক্তি নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক কাননের নাম ও ছবি বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেন এবং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত সুমন ও মোহন এলাকায় যুবদলের পরিচয় দিয়ে এবং নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা ও এতিমের জমি দখলসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। অন্যদিকে মহিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় 'ভাগিনা বাহিনীর' অন্যতম সশস্ত্র ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিল এবং তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে তিনি পলাতক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া হাফিজুর রহমান শাওন নামে আরেক ব্যক্তি অভিযুক্তদের করা অবমাননাকর পোস্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে অপপ্রচারে সহায়তা করছেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
সাংবাদিক কামরুল ইসলাম কানন বলেন, অভিযুক্তদের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তার দুই যুগেরও বেশি সময়ের সাংবাদিকতা জীবনে অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মুন্নাফ বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।