চাপে ছিলাম, তবে জয়ের বিশ্বাসও ছিল: মিরাজ
ওয়ানডে সাম্প্রতিক পারফরমেন্স এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত করা। সবমিলিয়ে পাকিস্তান সিরিজের আগে অধিনায়ক হিসেবে বেশ চাপেই ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরুটা উড়ন্ত হলেও পরের ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে শেষ ম্যাচে রোমাঞ্চকর লড়াই জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। ম্যাচে বেশ কয়েকবার চাপে পড়লেও বাংলাদেশ অধিনায়কের বিশ্বাস ছিল জয় তাদের পক্ষেই আসবে। রোববার সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ২৯০ রান করে বাংলাদেশ। এরপর তাসকিন আর নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সেটা ডিফেন্ড করতে শুরুটাও ভালো হয়। তবে সালমান আলী আগা একপ্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশকে চাপেই রাখেন। তার সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান চাপ কাটিয়ে ফেলে অনেকটাই। এমনকি শেষ দিকে মোস্তাফিজকে দুই ছক্কা মেরে উল্টো বাংলাদেশকেই চাপে ফেলে দেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। ম্যাচ শেষে চাপে থাকার কথা স্বীকার করলেও মিরাজ জানান, সবার মধ্যে জয়ের বিশ্বাস ছিল। তিনি বলেন, ‘চাপ তো অবশ্যই ছিল এবং কিন্তু আমার বিশ্বাস ছিল যে ম্যাচটা জিতবো। হ্যাঁ অবশ্যই যেহেতু ক্লোজ হয়ে গিয়েছে, আমরা মিডল ওভারে উইকেট বের করতে পারিনি এবং আমরা যদ
ওয়ানডে সাম্প্রতিক পারফরমেন্স এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত করা। সবমিলিয়ে পাকিস্তান সিরিজের আগে অধিনায়ক হিসেবে বেশ চাপেই ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরুটা উড়ন্ত হলেও পরের ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে শেষ ম্যাচে রোমাঞ্চকর লড়াই জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। ম্যাচে বেশ কয়েকবার চাপে পড়লেও বাংলাদেশ অধিনায়কের বিশ্বাস ছিল জয় তাদের পক্ষেই আসবে।
রোববার সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ২৯০ রান করে বাংলাদেশ। এরপর তাসকিন আর নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সেটা ডিফেন্ড করতে শুরুটাও ভালো হয়। তবে সালমান আলী আগা একপ্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশকে চাপেই রাখেন। তার সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান চাপ কাটিয়ে ফেলে অনেকটাই। এমনকি শেষ দিকে মোস্তাফিজকে দুই ছক্কা মেরে উল্টো বাংলাদেশকেই চাপে ফেলে দেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।
ম্যাচ শেষে চাপে থাকার কথা স্বীকার করলেও মিরাজ জানান, সবার মধ্যে জয়ের বিশ্বাস ছিল। তিনি বলেন, ‘চাপ তো অবশ্যই ছিল এবং কিন্তু আমার বিশ্বাস ছিল যে ম্যাচটা জিতবো। হ্যাঁ অবশ্যই যেহেতু ক্লোজ হয়ে গিয়েছে, আমরা মিডল ওভারে উইকেট বের করতে পারিনি এবং আমরা যদিও ওখানে আরো কিছু উইকেট বের করতে পারতাম তাহলে ভালো হতো।’
সিরিজ জিতলেও অধিনায়কের চিন্তায় ২০২৭ বিশ্বকাপ, ‘প্রত্যেকটা পয়েন্ট আমাদের জন্য অনেক অনেক ইম্পর্টেন্ট। আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে আমাদের কোয়ালিফাই করতে হবে। এর জন্য কিন্তু প্রত্যেকটা সিরিজে প্রতিটা ম্যাচ আমাদের জন্য অনেক ইম্পর্টেন্ট। আমরা ওইভাবেই চিন্তা করবো যে কিভাবে আমরা সিরিজ জিততে পারি, ম্যাচ জিততে পারি।’
এদিন দুই ওপেনার ভালো শুরু করলেও শেষদিকে প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রান ওঠেনি। ইনিংসের শেষ দিকে রানের গতি কমে যাওয়া নিয়ে মিরাজের ব্যাখ্যা, ‘৩৪ ওভারের পর থেকে বলটা যখন একটু পুরোনো হয়ে গিয়েছে তখন রিভার্স করা শুরু হয়েছিল। ওখানে কিন্তু বাউন্ডারি মারাটা একটু কঠিন ছিল। আমাদের লক্ষ্য ছিল যে আমরা যদি ২৮০-৯০ করতে পারি তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে।’
বোলিং ইউনিটের সাফল্য ও কামব্যাক নিয়ে মিরাজ আরও বলেন, ‘ওভারঅল সবাই টিম ওয়াইজ খেলেছে। নাহিদ রানা খুবই ভালো বোলিং করেছে। বোলাররা তাদের ডিউটিটা খুব ভালোভাবে মেইনটেইন করেছে। ফার্স্ট ম্যাচে আমরা ওদেরকে ১১৪ রানে অল আউট করেছি এবং সেকেন্ড ম্যাচে আমরা কিন্তু হয়তো প্রথম ১২ ওভার আমরা ভালো করতে পারিনি বাট আমরা দারুণ কামব্যাক করেছি। লাস্টের দিকে আমরা ওদেরকে প্রায় ৪০ রানের ভিতরে ছয় উইকেট নিয়েছি।’
এসকেডি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?