চার হলে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২ জনকে শোকজ, হতে পারেন বহিষ্কারও

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) চারটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধারাবাহিক সংঘর্ষ, হামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শোকজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। তিনি বলেন, ‘চারটি হলের ঘটনায় মোট ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে হবে। এখন তারা আত্মসমর্থনের সুযোগ পাবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, ‘সবসময় চাই হলগুলোতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক। সামান্য একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে এত বড় সংঘর্ষ কোনোভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীরা যেন দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং গ্রুপিং কিংবা এক হলের সঙ্গে অন্য হলের সংঘর্ষে না জড়ায়, সেটিই প্রত্যাশা।’ দোষী প্রমাণিত হলে বহিষ্কারের মতো শাস্তি দেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শাস্তির বিষয়টি অপরাধের মাত্রার ওপর নির্ভর করবে। অপরাধ কতটুকু গুরুতর, সেটি বিবেচনা

চার হলে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২ জনকে শোকজ, হতে পারেন বহিষ্কারও

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) চারটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধারাবাহিক সংঘর্ষ, হামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শোকজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। তিনি বলেন, ‘চারটি হলের ঘটনায় মোট ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে হবে। এখন তারা আত্মসমর্থনের সুযোগ পাবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, ‘সবসময় চাই হলগুলোতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক। সামান্য একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে এত বড় সংঘর্ষ কোনোভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীরা যেন দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং গ্রুপিং কিংবা এক হলের সঙ্গে অন্য হলের সংঘর্ষে না জড়ায়, সেটিই প্রত্যাশা।’

দোষী প্রমাণিত হলে বহিষ্কারের মতো শাস্তি দেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শাস্তির বিষয়টি অপরাধের মাত্রার ওপর নির্ভর করবে। অপরাধ কতটুকু গুরুতর, সেটি বিবেচনা করেই শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হবে।’

এর আগে, গত ২৩ ও ২৪ জুলাই ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে আশরাফুল হক ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হন। এরপর ১ আগস্ট মেসেঞ্জার গ্রুপে কথা কাটাকাটির জেরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আরও চারজন আহত হন।

সবশেষ ২ আগস্ট রাতে চারটি হলের শিক্ষার্থীরা পৃথক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসব ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে হলের গেট, জানালার কাচ, সিসিটিভি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক বাতিসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর সংঘর্ষের কারণ উদঘাটন ও দায়ীদের শনাক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং শোকজের জবাব পর্যালোচনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এসজেডএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow