চাড়ালকাটা নদীর ভাঙনে দিশেহারা মানুষ, ইউএনও'র পরিদর্শন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাড়ালকাটা নদীর ভাঙনে ময়নাকুড়ি এলাকার মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে। গত কয়েক বছরে নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় ফসলি জমি ও বাড়িঘর প্রতিনিয়ত বিলীন হচ্ছে। আবারও ভাঙন ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান রোববার বিকেলে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।প্রতি বছর বর্ষাকালে চাড়ালকাটা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা যায়। এ বছরও ভাঙন ভয়াবহ রূপ নেওয়ার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম তাজুল ইসলাম ডালিম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, বাহাগিলী ইউপি বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান আতা প্রমুখ। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।এলাকাবাসী জানান, স্থায়ীভাবে এ ভাঙন এলাকায় বাঁধ দেওয়া না হলে তাদের সব ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। তাঁরা বাঁধের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।

চাড়ালকাটা নদীর ভাঙনে দিশেহারা মানুষ, ইউএনও'র পরিদর্শন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাড়ালকাটা নদীর ভাঙনে ময়নাকুড়ি এলাকার মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে। গত কয়েক বছরে নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় ফসলি জমি ও বাড়িঘর প্রতিনিয়ত বিলীন হচ্ছে। আবারও ভাঙন ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান রোববার বিকেলে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

প্রতি বছর বর্ষাকালে চাড়ালকাটা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা যায়। এ বছরও ভাঙন ভয়াবহ রূপ নেওয়ার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম তাজুল ইসলাম ডালিম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, বাহাগিলী ইউপি বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান আতা প্রমুখ। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসী জানান, স্থায়ীভাবে এ ভাঙন এলাকায় বাঁধ দেওয়া না হলে তাদের সব ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। তাঁরা বাঁধের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow