চায়না রাইফেল দিয়ে গুলির নির্দেশ দেননি হাবিবুর রহমান: দাবি আইনজীবীর

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে চায়না রাইফেল দিয়ে গুলি করার জন্য ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান কোনো নির্দেশ দেননি বলে দাবি করেছেন তার পক্ষের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জেরার সময় এমন দাবি করেন রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম। মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের ১৯তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন পুলিশ কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন। ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিমসহ অন্যরা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পান হাসান ইমাম। জেরায় হাসান ইমাম বলেন, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার সুদ্বীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি বিভাগের ডিসি ইকবাল হোসেন ও এডিসি শামিমের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিট থেকে আসা ফোর্সের সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আন্দোলনকারীদের দমনে সর্বোচ্চ চাপ ও গুলি বর্ষণ করেননি। একইসঙ্গে চায়না রাইফেল দিয়ে ফায়ার করার জন্য কোনো নির্দেশ দেননি ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহম

চায়না রাইফেল দিয়ে গুলির নির্দেশ দেননি হাবিবুর রহমান: দাবি আইনজীবীর

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে চায়না রাইফেল দিয়ে গুলি করার জন্য ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান কোনো নির্দেশ দেননি বলে দাবি করেছেন তার পক্ষের আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জেরার সময় এমন দাবি করেন রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম।

মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের ১৯তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন পুলিশ কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন। ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পান হাসান ইমাম।

জেরায় হাসান ইমাম বলেন, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার সুদ্বীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি বিভাগের ডিসি ইকবাল হোসেন ও এডিসি শামিমের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিট থেকে আসা ফোর্সের সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আন্দোলনকারীদের দমনে সর্বোচ্চ চাপ ও গুলি বর্ষণ করেননি। একইসঙ্গে চায়না রাইফেল দিয়ে ফায়ার করার জন্য কোনো নির্দেশ দেননি ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘একটি গুলি করি, একটি মরে, বাকিডি যায় না’ ডিসি ইকবালের এমন মন্তব্যের ভিডিও ফুটেজটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন আইনজীবী হাসান ইমাম।প্রত্যুত্তরে সত্য নয় বলে জানান সাক্ষী।

এ মামলায় মোট আসামি ১১ জন। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান ও সাবেক এসআই শাহাদাত আলী।

পলাতকরা হলেন ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি জোনের সাবেক ডিসি ইকবাল হোসাইন, এডিসি শাকিল মোহাম্মদ শামীম, ডেমরা জোনের তৎকালীন এডিসি মো. মাসুদুর রহমান মনির, তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার নাহিদ ফেরদৌস, যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ওহিদুল হক মামুন ও এসআই (নিরস্ত্র) সাজ্জাদ উজ জামান।

এফএইচ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow