চায়ের আড্ডায় থেমে গেল কুয়েট শিক্ষার্থীর জীবন
হাসি, আড্ডা আর স্বপ্নে ভরা একটি রাত মুহূর্তেই বদলে গেল শোকের অন্ধকারে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে চা পান করার সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী মো. রেজওয়ানুল হক (২৪)। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে শহীদ স্মৃতি হলের সামনে একটি চায়ের দোকানে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। জানা গেছে, রেজওয়ানুল আড্ডার মাঝেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত বন্ধুরা তাকে আদ-দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২১ ব্যাচের এই শিক্ষার্থী দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। পরিবার, বন্ধু ও শিক্ষকদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় একজন তরুণ। তার এমন আকস্মিক প্রয়াণে পুরো কুয়েট ক্যাম্পাস যেন মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে গেছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে পাওয়া মৃত্যুর সনদপত্রে রেজওয়ানুল হকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ব্রট ডেড (Brought dead) উল্লেখ করা হয়। এছাড়া
হাসি, আড্ডা আর স্বপ্নে ভরা একটি রাত মুহূর্তেই বদলে গেল শোকের অন্ধকারে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে চা পান করার সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী মো. রেজওয়ানুল হক (২৪)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে শহীদ স্মৃতি হলের সামনে একটি চায়ের দোকানে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।
জানা গেছে, রেজওয়ানুল আড্ডার মাঝেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত বন্ধুরা তাকে আদ-দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২১ ব্যাচের এই শিক্ষার্থী দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। পরিবার, বন্ধু ও শিক্ষকদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় একজন তরুণ। তার এমন আকস্মিক প্রয়াণে পুরো কুয়েট ক্যাম্পাস যেন মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে গেছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে পাওয়া মৃত্যুর সনদপত্রে রেজওয়ানুল হকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ব্রট ডেড (Brought dead) উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মৃত্যুর সময় ১৩ জানুয়ারি রাত ২টা উল্লেখ করা হয়।
শহীদ স্মৃতি হলের প্রভোস্ট ডা. এবিএম মামুন জানান, সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে শহীদ স্মৃতি হলের ডিএস-এ চা পান করার সময় রেজওয়ানুল স্ট্রোক করেছে। তাকে আদ দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এ সংবাদ শুনে তাৎক্ষণিকভাবে আমি এবং ছাত্র কল্যাণ পরিচালক হাসপাতালে যাই। আদ দ্বীন হাসপাতাল থেকে পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে রেজওয়ানুল হকের আকস্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী আনিছুর রহমান ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত শোক বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ১৩ জানুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন ছাত্র আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেন। এ কারণে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
What's Your Reaction?