চিকিৎসক দম্পতির জামিন, ২ লাখ টাকায় রফাদফা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চিকিৎসক দম্পতি ডা. কে এম আব্দুল্লাহ আল নোমান ও ডা. কিমিয়া সাদাত তোফাকে জামিন দিয়েছেন আদালত। রবিবার (০৩ মে ২০২৬) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনদার হিসেবে শিশু আয়েশার বাবা মোঃ রাকিব মিয়া স্বাক্ষর করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সোহাগ নামে এক ব্যক্তির মাধ্যেমে ২ লাখ টাকায় বিষয়টি রফাদফা হয়েছে। এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ আয়েশা আক্তার (১০) নামের এক গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে ওই চিকিৎসক দম্পতিকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। জানা যায়, প্রায় ৯ মাস আগে আয়েশা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকায় ওই দম্পতির বাসায় কাজ করতে আসে। অভিযোগ রয়েছে, গত তিন মাস ধরে পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। সম্প্রতি চিকিৎসক দম্পতি আয়েশার পরিবারকে জানায়, সে নাকি বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল আয়েশার পরিবার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চ

চিকিৎসক দম্পতির জামিন, ২ লাখ টাকায় রফাদফা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চিকিৎসক দম্পতি ডা. কে এম আব্দুল্লাহ আল নোমান ও ডা. কিমিয়া সাদাত তোফাকে জামিন দিয়েছেন আদালত। রবিবার (০৩ মে ২০২৬) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনদার হিসেবে শিশু আয়েশার বাবা মোঃ রাকিব মিয়া স্বাক্ষর করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সোহাগ নামে এক ব্যক্তির মাধ্যেমে ২ লাখ টাকায় বিষয়টি রফাদফা হয়েছে।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ আয়েশা আক্তার (১০) নামের এক গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে ওই চিকিৎসক দম্পতিকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। জানা যায়, প্রায় ৯ মাস আগে আয়েশা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকায় ওই দম্পতির বাসায় কাজ করতে আসে। অভিযোগ রয়েছে, গত তিন মাস ধরে পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। সম্প্রতি চিকিৎসক দম্পতি আয়েশার পরিবারকে জানায়, সে নাকি বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল আয়েশার পরিবার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৯ এপ্রিল সকালে পাশের একটি বাসা থেকে আয়েশাকে উদ্ধার করে এবং পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow