চিকিৎসা যন্ত্রপাতির কাঁচামালে রেয়াতি সুবিধা, কমছে মর্চুয়ারির শুল্ক
দেশে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মৃতদেহ সংরক্ষণের খরচ কমাতে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে। মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট বা চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় কতিপয় কাঁচামাল আমদানিতে বিশেষ রেয়াতি সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত মর্চুয়ারি আমদানির শুল্ক এক ধাক্কায় ব্যাপক হ্রাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বাজেট বক্তৃতায় এই প্রস্তাব পেশ করেন। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশের স্বার্থে এই শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় কতিপয় কাঁচামাল আমদানিতে ১৫ শতাংশ এবং অন্যকিছু কাঁচামাল আমদানিতে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করার এবং এই সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন, ২০৩০ পর্যন্ত বলবৎ রাখার প্রস্তাব করছি। একই সঙ্গে মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত মর্চুয়ারির আমদানি শুল্ক বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে মাত্র ১ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের
দেশে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মৃতদেহ সংরক্ষণের খরচ কমাতে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে। মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট বা চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় কতিপয় কাঁচামাল আমদানিতে বিশেষ রেয়াতি সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত মর্চুয়ারি আমদানির শুল্ক এক ধাক্কায় ব্যাপক হ্রাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বাজেট বক্তৃতায় এই প্রস্তাব পেশ করেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশের স্বার্থে এই শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় কতিপয় কাঁচামাল আমদানিতে ১৫ শতাংশ এবং অন্যকিছু কাঁচামাল আমদানিতে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করার এবং এই সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন, ২০৩০ পর্যন্ত বলবৎ রাখার প্রস্তাব করছি।
একই সঙ্গে মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত মর্চুয়ারির আমদানি শুল্ক বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে মাত্র ১ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি তৈরির পথ সুগম হবে এবং আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত উদ্যোক্তারা একটি দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা পাবেন। এছাড়া মর্চুয়ারি আমদানিতে শুল্ক কমায় হাসপাতালগুলোতে মৃতদেহ সংরক্ষণের খরচও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে।
এসইউজে/এমএমএআর
What's Your Reaction?