চিরকুট লিখে নিখোঁজ লিখন, উৎকণ্ঠায় পরিবার

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ইসলামাবাদ গ্রামের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিখন মজুমদার পবন (১৫) রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে।  সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা। নিখোঁজ লিখন মজুমদার পবন দক্ষিণ ইসলামাবাদ গ্রামের রামপ্রসাদ মজুমদারের ছেলে এবং স্থানীয় ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় তার মা অঞ্জনা রানী মতলব উত্তর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।  পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে লিখন একটি হাতে লেখা চিরকুট রেখে যায়। সেখানে সে পরিবারের উদ্দেশে বিদায় বার্তা দেয়। চিরকুটে বিদেশ যাওয়ার ইঙ্গিতসহ কিছু আবেগঘন কথাও উল্লেখ ছিল, যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবার। লিখনের বড় ভাই আপন বলেন, আমার ছোট ভাই লিখন মজুমদারের কারও সঙ্গে কোনো রাগ বা অভিমান ছিল না। পড়াশোনার জন্যও তার ওপর কোনো বাড়তি চাপ ছিল না। আমাদের পরিবারেও কোনো ঝামেলা নেই। হঠাৎ করেই ওর বাড়ি থেকে চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য খুবই কষ্টের ও রহস্যজনক। তিনি বলেন, আমরা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার

চিরকুট লিখে নিখোঁজ লিখন, উৎকণ্ঠায় পরিবার

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ইসলামাবাদ গ্রামের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিখন মজুমদার পবন (১৫) রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে। 

সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।

নিখোঁজ লিখন মজুমদার পবন দক্ষিণ ইসলামাবাদ গ্রামের রামপ্রসাদ মজুমদারের ছেলে এবং স্থানীয় ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় তার মা অঞ্জনা রানী মতলব উত্তর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে লিখন একটি হাতে লেখা চিরকুট রেখে যায়। সেখানে সে পরিবারের উদ্দেশে বিদায় বার্তা দেয়। চিরকুটে বিদেশ যাওয়ার ইঙ্গিতসহ কিছু আবেগঘন কথাও উল্লেখ ছিল, যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবার।

লিখনের বড় ভাই আপন বলেন, আমার ছোট ভাই লিখন মজুমদারের কারও সঙ্গে কোনো রাগ বা অভিমান ছিল না। পড়াশোনার জন্যও তার ওপর কোনো বাড়তি চাপ ছিল না। আমাদের পরিবারেও কোনো ঝামেলা নেই। হঠাৎ করেই ওর বাড়ি থেকে চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য খুবই কষ্টের ও রহস্যজনক।

তিনি বলেন, আমরা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাইনি। পরে সোমবার বিকেলে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেছি। কেউ যদি আমার ছোট ভাইয়ের সন্ধান পান, তাহলে আমাদের জানাবেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, লিখনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তার হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায়ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, নিখোঁজ শিক্ষার্থী লিখনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডি পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। কেউ তার সন্ধান পেলে দ্রুত থানা পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow