চিহ্নিত সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদ’কে গলা কেটে হত্যা

যশোরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ১১ মামলার আসামি সাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’কে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৪ জুন) সকালে সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইদ সরদার রঘুরামপুর গ্রামের নয়া সরদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ঝোপের মধ্যে রক্ত দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইদের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহের পাশেই একটি ধারালো চাকু পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এরপর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ব্যবসা বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি (অপারেশন) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের

চিহ্নিত সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদ’কে গলা কেটে হত্যা
যশোরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ১১ মামলার আসামি সাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’কে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৪ জুন) সকালে সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইদ সরদার রঘুরামপুর গ্রামের নয়া সরদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ঝোপের মধ্যে রক্ত দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইদের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহের পাশেই একটি ধারালো চাকু পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এরপর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ব্যবসা বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি (অপারেশন) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য কাজ করছে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow