চীনকে ‘আসল হুমকি’ বলল তাইওয়ান

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের পর চীনকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আসল হুমকি বলে মন্তব্য করেছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লাং এক বিবৃতিতে বলেন, চীন জাতিসংঘ সনদের কথা বললেও বাস্তবে তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়ে সেটিই লঙ্ঘন করছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব কখনোই চীনের অংশ ছিল না। এর আগে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেন, কিছু দেশ তাইওয়ানকে চীন থেকে আলাদা করার চেষ্টা করছে এবং এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে। তিনি বিষয়টিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেও তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশের নেতা ও প্রায় ১০০ মন্ত্রী অংশ নিলেও তাইওয়ানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। গত ডিসেম্বরে বেইজিং ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ নামে দ্বীপটির আশপাশে বড় আকারের সামরিক মহড়াও চালায়। অন্যদিকে তাইওয়ান বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব পিপলস রিপাবলিক অব চায়নার কাছে নয়, বরং রিপাবলিক অ

চীনকে ‘আসল হুমকি’ বলল তাইওয়ান
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের পর চীনকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আসল হুমকি বলে মন্তব্য করেছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লাং এক বিবৃতিতে বলেন, চীন জাতিসংঘ সনদের কথা বললেও বাস্তবে তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়ে সেটিই লঙ্ঘন করছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব কখনোই চীনের অংশ ছিল না। এর আগে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেন, কিছু দেশ তাইওয়ানকে চীন থেকে আলাদা করার চেষ্টা করছে এবং এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে। তিনি বিষয়টিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেও তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশের নেতা ও প্রায় ১০০ মন্ত্রী অংশ নিলেও তাইওয়ানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। গত ডিসেম্বরে বেইজিং ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ নামে দ্বীপটির আশপাশে বড় আকারের সামরিক মহড়াও চালায়। অন্যদিকে তাইওয়ান বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব পিপলস রিপাবলিক অব চায়নার কাছে নয়, বরং রিপাবলিক অব চায়নার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। এই দ্বন্দ্বই দুপক্ষের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow