চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড

চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার আগেই আগাম তাপদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালকরা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া জেলায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৪ শতাংশ। জেলার আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জেলায় মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পিচ গলে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলের সময় গলিত পিচ টায়ারে লেপ্টে গিয়ে বাড়াচ্ছে ভোগান্তি। চুয়াডাঙ্গা শহরের নাম না বলা এক পথচারী বলেন, চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া সবসময়ই চরম। শীতে বেশি শীত, গরমে বেশি গরম। কিন্তু গরম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই এমন পরিস্থিতি, সামনে কী হবে তা ভেবেই উদ্বিগ্ন। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের চৌরাস্তার মোড়ের তরমুজ বিক্রেতা মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, এই গরমে রোদে বসে থাকতে থাকতে শরীর জ্বলে যাচ্ছে। তরমুজও ঠিকমতো বিক্রি হচ্ছে না। একটু স্বস্তি

চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড

চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার আগেই আগাম তাপদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালকরা।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া জেলায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৪ শতাংশ।

জেলার আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জেলায় মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পিচ গলে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলের সময় গলিত পিচ টায়ারে লেপ্টে গিয়ে বাড়াচ্ছে ভোগান্তি।

চুয়াডাঙ্গা শহরের নাম না বলা এক পথচারী বলেন, চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া সবসময়ই চরম। শীতে বেশি শীত, গরমে বেশি গরম। কিন্তু গরম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই এমন পরিস্থিতি, সামনে কী হবে তা ভেবেই উদ্বিগ্ন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের চৌরাস্তার মোড়ের তরমুজ বিক্রেতা মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, এই গরমে রোদে বসে থাকতে থাকতে শরীর জ্বলে যাচ্ছে। তরমুজও ঠিকমতো বিক্রি হচ্ছে না। একটু স্বস্তি পেতে বারবার পানি দিচ্ছি শরীরে।

চুয়াডাঙ্গা সদরের বেসরকারি চাকরিজীবী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছে।

তবে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দিনমজুররা। তীব্র রোদ উপেক্ষা করে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে কাজের সময় কমিয়ে দিয়েছেন। এতে কমছে আয়, বাড়ছে দুশ্চিন্তা।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক বলেন, এটি চলতি মৌসুমের প্রথম মাঝারি তাপপ্রবাহ। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আজ এ জেলায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

হুসাইন মালিক/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow