চোট কাটিয়ে শান্তর রঙিন ফেরা
কুঁচকির ইনজুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে ছিটকে পড়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। চোট কাটিয়ে তার ফেরার মঞ্চ জাতীয় লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। রাজশাহী বিভাগের অধিনায়ক তিনি। তবে প্রথম দুই ম্যাচে একাদশে না থেকে নেট অনুশীলনে নিয়েছিলেন প্রস্তুতি। ফেরার ম্যাচে দাপুটে ব্যাটিংয়ে খেলেছেন ৮০ রানের ইনিংস। বড় পুঁজি নিয়েও বরিশালের বিপক্ষে জেতা হয়নি তাদের। বরিশাল হারের বৃত্ত ভাঙছে রাজশাহীকে হারিয়ে। তবে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে রংপুর, ঢাকা মেট্রো ও চট্টগ্রাম বিভাগ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ২নং মাঠে দিনের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে স্কোর বোর্ডে ৫ উইকেটে ১৮৪ রান যোগ করে রাজশাহী। ৫৪ বলে ১৪৮.১ স্ট্রাইকরেটে ৮০ রান করেন শান্ত। ৫টি চার ও ৪টি ছয় হাকান তিনি। শান্তর এমন ব্যাটিংয়ের পরও বরিশালের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে বরিশাল। আব্দুল মাজিদ ও ফজলে মাহমুদের ফিফটিতে চড়ে ৩ বল বাকি রেখেই জয় তুলে নেয় বরিশাল। টুর্নামেন্টে এটি তাদের প্রথম কোনো জয়। আগের দুই ম্যাচে হেরেছিলেন ফজলে মাহমুদরা। একই সময় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মূল মাঠে হওয়া অন্য ম্যাচে সিলেটকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে রংপুর। আগে ব্যাটিং করে স্কোর বোর্ডে মাত্র ১২০ রান যোগ করতে পেরেছিল সিলেট। সহজ লক্ষ্য পেয়ে ৪.২ ওভার বাকি রেখেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর। নাঈম ইসলামের ফিফটি ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের ১২ বলের ঝোড়ো ২৯ রানে চড়ে শীর্ষস্থান মজবুত করে তারা।
দিনের শুরুতে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের ঢাকা বিভাগকে মাত্র ৬৪ রানে আটকে দিয়েছিল চট্টগ্রাম। ফরহাদ হোসেনের বোলিং তোপে পড়ে ঢাকার ১০ ব্যাটারই ছুঁতে পারেনি দুই অঙ্কের স্কোর। একমাত্র তাইবুর রহমানের ব্যাটে মেলে ৩০ রানের দেখা। ছোট লক্ষ্য পেয়ে মাহমুদুল হাসান জয়কে সঙ্গে নিয়ে ৯ ওভার বাকি রেখেই ১০ উইকেটের জয় তুলে নেন তামিম ইকবাল। ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন জয় ও সঙ্গে থাকা তামিম করেছিলেন ২১ রান। একই সময় ২নং মাঠে হওয়া ম্যাচে ৬ রানে জিতেছে ঢাকা মেট্রো। ১৮ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ১৪৬ রান তোলে ঢাকা মেট্রো। রান তাড়ায় সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ হন নুরুল হাসান সোহানরা। ১৪০ রানে গিয়ে থামেন তারা। জিতে টেবিলের দ্বিতীয়স্থান ধরে রেখেছে ঢাকা মেট্রো। রংপুরের মতো তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছে তারা।