ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মোটরসাইকেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইফতারের পর বড়লেখা পৌরসভার পাখিয়ালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ছাত্রদল নেতারা হলেন- তৌফিকুর রহমান ফাহিম, আতিকুর রহমান ও হোসাইন আহমদ। তারা বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
অন্যদিকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আহত নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে- রিহান আহমদ, শুভ, সাম্য, রিয়াদ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল এবং কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ। জানা যায়, তারা অন্য একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোটরসাইকেল বিক্রির বিষয়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনার পর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুন্দরের বাড়িতে একাধিকবার হামলা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মোটরসাইকেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইফতারের পর বড়লেখা পৌরসভার পাখিয়ালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ছাত্রদল নেতারা হলেন- তৌফিকুর রহমান ফাহিম, আতিকুর রহমান ও হোসাইন আহমদ। তারা বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
অন্যদিকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আহত নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে- রিহান আহমদ, শুভ, সাম্য, রিয়াদ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল এবং কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ। জানা যায়, তারা অন্য একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোটরসাইকেল বিক্রির বিষয়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনার পর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুন্দরের বাড়িতে একাধিকবার হামলা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘একটি মোটরসাইকেল কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এটা রাজনৈতিক কোন হামলা নয়। থানায় এখনো কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ করা হলে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।’