ছাত্রদল নেতা আল আমিন শান্তর বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
অর্থ লুট, চাঁদাবাজি, দখল ও মারামারিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন যুবদলের এক নেতা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) যুবদল বিমানবন্দর থানা শাখার নেতা রাসেল সরকারের জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে এসব অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আল আমিন হোসেন শান্ত ‘ত্রাসের রাজত্ব’ কায়েম করেছেন। তার বিরুদ্ধে অর্থ লুট, চাঁদাবাজি, দখল ও মারামারিসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের পর তাঁর কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাধারণ মানুষকে মারধর, নির্মাণাধীন ভবন, মালবাহী গাড়ি ও স্থানীয় দোকানপাট থেকে চাঁদা আদায়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি দক্ষিণখান বাজার দিয়ে রাতের বেলায় পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলেও চাঁদা দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের একটি তেলের পাম্পে কর্মীদের মারধর করে ক্যাশ থেকে ৯০ হাজার টাকা লুটের ঘটনায় গ
অর্থ লুট, চাঁদাবাজি, দখল ও মারামারিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন যুবদলের এক নেতা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) যুবদল বিমানবন্দর থানা শাখার নেতা রাসেল সরকারের জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে এসব অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আল আমিন হোসেন শান্ত ‘ত্রাসের রাজত্ব’ কায়েম করেছেন। তার বিরুদ্ধে অর্থ লুট, চাঁদাবাজি, দখল ও মারামারিসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের পর তাঁর কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাধারণ মানুষকে মারধর, নির্মাণাধীন ভবন, মালবাহী গাড়ি ও স্থানীয় দোকানপাট থেকে চাঁদা আদায়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি দক্ষিণখান বাজার দিয়ে রাতের বেলায় পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলেও চাঁদা দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের একটি তেলের পাম্পে কর্মীদের মারধর করে ক্যাশ থেকে ৯০ হাজার টাকা লুটের ঘটনায় গত ৭ মার্চ উত্তরা পূর্ব থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া দক্ষিণখানে স্যুয়ারেজ লাইনের সরকারি মাটি বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা রাসেল সরকারসহ তিনজনকে মারধরের ঘটনায় ৪ এপ্রিল দক্ষিণখান থানায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, একের পর এক সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার পরও আল আমিনের বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংগঠনের একটি মহলের ছত্রচ্ছায়ায় তিনি এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। পরপর দুই থানায় মামলা হলেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দক্ষিণখান থানাধীন হলান এলাকায় স্যুয়ারেজ লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য খনন করা সরকারি মাটি অবৈধভাবে বিক্রি করছিলেন আল আমিন। এ বিষয়ে বাধা দিলে গত ৪ এপ্রিল দুপুরে আল আমিন ও তার সহযোগীরা লাঠিসোঁটা, ইট, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে রাসেল সরকার গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার ভাতিজা মো. সাব্বির হোসেন রাজু ও বন্ধু আবরারুল হক জুয়েলসহ আরও কয়েকজন আহত হন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, একই দিন দুপুরে অভিযুক্তরা পুনরায় সংঘবদ্ধ হয়ে একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে বাদী আব্দুল বাসারকে মারধর করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সবশেষে অভিযোগকারী বলেন, সরকারের ও দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় আল আমিন হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।