ছাত্রদল-শিবিরের প্রতিবাদে সিনেট সভায় যেতে পারেননি আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা
ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির তীব্র প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম সিনেট সভায় অংশ নিতে পারেনি আওয়ামীপন্থি আট শিক্ষক প্রতিনিধি। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ সভা শুরু হয়। জানা যায়, সিনেটের সদস্য আওয়ামীপন্থি আটজন শিক্ষককে কেন্দ্র করে সমালোচনা শুরু হয়। তারা যেন সিনেটে যোগ দিতে না পারে সেজন্য ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি প্রতিবাদ জানায়। এদিন সকালে চাকসু সংবাদ সম্মেলনে তাদের ১৯ দফা দাবি পেশ করে। ফলে আটজন শিক্ষকদের মধ্যে কাউকে সিনেটে অংশ নিতে দেখা যায়নি। সিনেটে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড ইনভাইরনমেন্টাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. মো. দানেশ মিয়া বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে মৌন মিছিলে যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে তালিকা তৈরি করে ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে আমার নামও রয়েছে। অথচ আমি ওই মিছিলে ছিলাম না। যেহেতু আটজন শিক্ষককে সিনেট অধিবেশনে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছে, তাই আমরা শিক্ষক প্রতিনিধিদের কেউই সিনেট সভায় অংশ নিচ্ছি না। উল্লেখ্য, এর আগে, সর্বশেষ সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়
ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির তীব্র প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম সিনেট সভায় অংশ নিতে পারেনি আওয়ামীপন্থি আট শিক্ষক প্রতিনিধি।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ সভা শুরু হয়।
জানা যায়, সিনেটের সদস্য আওয়ামীপন্থি আটজন শিক্ষককে কেন্দ্র করে সমালোচনা শুরু হয়। তারা যেন সিনেটে যোগ দিতে না পারে সেজন্য ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি প্রতিবাদ জানায়। এদিন সকালে চাকসু সংবাদ সম্মেলনে তাদের ১৯ দফা দাবি পেশ করে। ফলে আটজন শিক্ষকদের মধ্যে কাউকে সিনেটে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
সিনেটে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড ইনভাইরনমেন্টাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. মো. দানেশ মিয়া বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে মৌন মিছিলে যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে তালিকা তৈরি করে ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে আমার নামও রয়েছে। অথচ আমি ওই মিছিলে ছিলাম না। যেহেতু আটজন শিক্ষককে সিনেট অধিবেশনে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছে, তাই আমরা শিক্ষক প্রতিনিধিদের কেউই সিনেট সভায় অংশ নিচ্ছি না।
উল্লেখ্য, এর আগে, সর্বশেষ সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থাগুলোর একটি হচ্ছে সিনেট। সিনেটে বার্ষিক প্রতিবেদন, হিসাব-নিকাশ ও বাজেট অনুমোদনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এমএমআরআর/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?