ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রীকে স্কুল কমিটিতে রাখতে ইউএনওর আলটিমেটাম
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পূর্ব পাত্রখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে নীতিমালার বাইরে গিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতার স্ত্রীকে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের দাবি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রধান শিক্ষককে এই নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে দ্রুত রেজুলেশন সম্পন্ন না করলে প্রধান শিক্ষককে বান্দরবানে বদলির হুমকি দিয়েছেন ওই নেতা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার নাম সাজেদুল ইসলাম মোল্লা। তিনি উপজেলার রমনা ইউনিয়নের পাত্রখাতা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আইনুল হক মোল্লার ছেলে। সাজেদুলের স্ত্রী মৌসুমীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাখতে প্রধান শিক্ষকের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়টির একজন শিক্ষক বলেন, ওই নারীর (ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী) সন্তান স্কুলে ভর্তি নেই। তিনি কোনো ক্যাটাগরিতে কমিটিতে থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু ইউএনও স্যার ওই নারীকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। আর সাজেদুল সকালে স্কুলে এসে সবার সামনে তার স্ত্রীকে কমিটিতে রেখে আজই রেজ্যুলেশন করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। না হলে প্রধান শিক্
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পূর্ব পাত্রখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে নীতিমালার বাইরে গিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতার স্ত্রীকে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের দাবি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রধান শিক্ষককে এই নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে দ্রুত রেজুলেশন সম্পন্ন না করলে প্রধান শিক্ষককে বান্দরবানে বদলির হুমকি দিয়েছেন ওই নেতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার নাম সাজেদুল ইসলাম মোল্লা। তিনি উপজেলার রমনা ইউনিয়নের পাত্রখাতা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আইনুল হক মোল্লার ছেলে। সাজেদুলের স্ত্রী মৌসুমীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাখতে প্রধান শিক্ষকের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়টির একজন শিক্ষক বলেন, ওই নারীর (ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী) সন্তান স্কুলে ভর্তি নেই। তিনি কোনো ক্যাটাগরিতে কমিটিতে থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু ইউএনও স্যার ওই নারীকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। আর সাজেদুল সকালে স্কুলে এসে সবার সামনে তার স্ত্রীকে কমিটিতে রেখে আজই রেজ্যুলেশন করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। না হলে প্রধান শিক্ষককে বান্দরবানে বদলির হুমকি দেন।
তিনি আরও বলেন, আমি তাদের জিজ্ঞাসা করেছি, কোন বিধিতে তাকে কমিটিতে নিচ্ছেন। জবাবে তারা বলেন, আমরা রাস্তা দেব। কিন্তু জায়গাতো সরকারি খাসজমি। তারা কীভাবে সেটা দান করবে? দান করার আগেই কীভাবে দাতা সদস্য হতে পারেন?
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রিয়াজবিন বানু বলেন, আমি আসলে কী বলবো? ইউএনও আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তিনি যখন নির্দেশ দিয়েছেন, নিশ্চয় বুঝে শুনে দিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতার হুমকি প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক বলেন, আমার কিছু বলার নেই। এসব বিষয় আপনারা ধরিয়েন না।
ছাত্রলীগ নেতা সাজেদুল ইসলাম মোল্লা বলেন, আমরা স্কুলের জমি লিখে দিয়েছি, এ জন্য আমার স্ত্রীকে কমিটিতে নেওয়া হচ্ছে। আমি প্রধান শিক্ষককে কোনো হুমকি দেইনি। আমি হুমকি দেওয়ার কে? আপনার সাথে পরে কথা বলবো।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, নীতিমালার বাইরে গিয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি করার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আমাকে কিছু জানাননি। আমার কাছে কাগজপত্র আসলে আমি যাচাই করে দেখব।
নীতিমালা ভঙ্গ করে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রীকে ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে চিলমারী ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি এত কিছু জানি না। বিদ্যালয়ের রাস্তা করতে হবে এটাই হচ্ছে মেইন ফ্যাক্ট।
What's Your Reaction?