ছাত্রীনিবাসে নারী মেট্রোনকে হত্যায় দারোয়ানের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসে কর্মরত মেট্রোন (নারী তত্ত্বাবধায়ক) সামছুন নাহার হত্যা মামলায় শহিদুল ইসলামকে (৫৪) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার দুটি ধারায় ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার একমাত্র আসামি কলেজের দারোয়ান শহিদুল ইসলাম জয়পুরহাট পৌর এলাকার দেবীপুর মহল্লার মৃত ছলিমুদ্দীনের ছেলে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর পুলিশি পাহারায় তাকে জয়পুরহাট কারাগারে নেওয়া হয়।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌসুঁলি (এপিপি) আহসান হাবীব চপল।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসে অস্থায়ী মেট্রোন হিসেবে প্রায় ১০ বছর থেকে কর্মরত ছিলেন সামছুন নাহার (৪৩)। ২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর গভীর রাতে সামছুন নাহারকে ডেকে নিয়ে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন দারোয়ান শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে সামছুন নাহার রাজি না হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ সময় স্বর্ণের চেইন, কানের দুল,
জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসে কর্মরত মেট্রোন (নারী তত্ত্বাবধায়ক) সামছুন নাহার হত্যা মামলায় শহিদুল ইসলামকে (৫৪) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার দুটি ধারায় ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার একমাত্র আসামি কলেজের দারোয়ান শহিদুল ইসলাম জয়পুরহাট পৌর এলাকার দেবীপুর মহল্লার মৃত ছলিমুদ্দীনের ছেলে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর পুলিশি পাহারায় তাকে জয়পুরহাট কারাগারে নেওয়া হয়।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌসুঁলি (এপিপি) আহসান হাবীব চপল।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসে অস্থায়ী মেট্রোন হিসেবে প্রায় ১০ বছর থেকে কর্মরত ছিলেন সামছুন নাহার (৪৩)। ২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর গভীর রাতে সামছুন নাহারকে ডেকে নিয়ে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন দারোয়ান শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে সামছুন নাহার রাজি না হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ সময় স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, আংটি খুলে নেন আসামি শহিদুল। পরে হাসুয়া দিয়ে সামছুন নাহারে পেট ও বুক চিড়ে কলেজ চত্বরের সেফটি ট্যাঙ্কের ভেতরে লাশ ফেলে রাখেন।
সামছুন নাহারের খোঁজ পাওয়া না গেলে তার ভাই ফেরদৌস আলম লুলু বাদী হয়ে সন্দেহভাজন শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ওই বছরের ২৫ নভেম্বর জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আসামি শহিদুল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক (১৬৪ ধারা) জবানবন্দি দেন। কেন এবং কীভাবে সামছুন নাহারকে হত্যা করেন তার রোমহর্ষক বর্ণনা দেন ওই জবানবন্দিতে। তার দেখানো মতো স্বর্ণালঙ্কার ও লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতে ৯ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি শেষে মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।