ছাদ থেকে লাফিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
দীর্ঘ দুই বছরের প্রস্তুতির পর সকাল ১০টায় এইচএসসি পরীক্ষার হলে বসার কথা ছিল তিশা সরকারের (১৮)। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর মাত্র চার ঘণ্টা আগে ময়মনসিংহ নগরীর একটি বহুতল ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান এই কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে নগরীর কাচিঝুলী মসজিদ রোড এলাকার ‘নাসা টাওয়ার’ নামে একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তিশা সরকার ময়মনসিংহের মিন্টু কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জেলার তারাকান্দা উপজেলার মধ্যবাজার এলাকার উত্তম সরকার ও মনি সরকারের মেয়ে। লেখাপড়ার সুবিধার্থে প্রায় দুই বছর ধরে নগরীর কাচিঝুলী এলাকায় একটি ছাত্রী মেসে থাকতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ভোর ৬টার দিকে তিশা ভবনের ছয়তলার ছাদে ওঠেন। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় মেসের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে থাকায় তিশা কীভাবে বা কেন ছা
দীর্ঘ দুই বছরের প্রস্তুতির পর সকাল ১০টায় এইচএসসি পরীক্ষার হলে বসার কথা ছিল তিশা সরকারের (১৮)। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর মাত্র চার ঘণ্টা আগে ময়মনসিংহ নগরীর একটি বহুতল ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান এই কলেজছাত্রী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে নগরীর কাচিঝুলী মসজিদ রোড এলাকার ‘নাসা টাওয়ার’ নামে একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তিশা সরকার ময়মনসিংহের মিন্টু কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জেলার তারাকান্দা উপজেলার মধ্যবাজার এলাকার উত্তম সরকার ও মনি সরকারের মেয়ে। লেখাপড়ার সুবিধার্থে প্রায় দুই বছর ধরে নগরীর কাচিঝুলী এলাকায় একটি ছাত্রী মেসে থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ভোর ৬টার দিকে তিশা ভবনের ছয়তলার ছাদে ওঠেন। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন।
বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সময় মেসের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে থাকায় তিশা কীভাবে বা কেন ছাদে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। ফলে মৃত্যুর পেছনের কারণ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় পুলিশ।
খবর পেয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) আশরাফুল করিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিক্ষার্থীটি ছয়তলার ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছেন। তবে এটি পরীক্ষা-সংক্রান্ত মানসিক চাপ, ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, পারিপার্শ্বিক তথ্য, স্বজনদের বক্তব্য এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে।
What's Your Reaction?