ছিনতাই ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ যায় মুদিদোকানির, ১০ বছর পর রায়
রাজধানীর বংশালের সিদ্দিকবাজারে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মুদিদোকানি আব্দুল কুদ্দুস হত্যার ঘটনায় করা মামলায় এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১২ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৬ এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন মাসুম মিয়া ওরফে কালু। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি হাবিবুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভোররাতে রিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন কামরাঙ্গীচরের মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুস। পথে বংশাল থানার সিদ্দিকবাজার এলাকায় তার রিকশার গতিরোধ করে ছিনতাইকারীরা। এ সময় ছিনতাইকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কুদ্দুসের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার দিন সকালে নিহতের চাচাতো ভাই মো. কামাল
রাজধানীর বংশালের সিদ্দিকবাজারে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মুদিদোকানি আব্দুল কুদ্দুস হত্যার ঘটনায় করা মামলায় এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৬ এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন মাসুম মিয়া ওরফে কালু। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি হাবিবুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভোররাতে রিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন কামরাঙ্গীচরের মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুস। পথে বংশাল থানার সিদ্দিকবাজার এলাকায় তার রিকশার গতিরোধ করে ছিনতাইকারীরা।
এ সময় ছিনতাইকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কুদ্দুসের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার দিন সকালে নিহতের চাচাতো ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ নভেম্বর বংশাল থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মো. শহীদুল ইসলাম দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৭ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার অন্যান্য উপাদান পর্যালোচনা শেষে বুধবার আদালত মাসুম মিয়া ওরফে কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এবং অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে খালাস দেন।
এমডিএএ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?