ছেলে হত্যা মামলার বাদীকে পিটিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মো. ফজলুল হক (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ফজলুল হক ছিলেন তার ছেলে হত্যা মামলার বাদী। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রবিন (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৭ জুলাই রাতে হামলার শিকার হওয়া ওই বৃদ্ধ চিকিৎসাধীন অবস্থা শেষে রোববার (১৯ জুলাই) সকালে মারা যান।  নিহত ফজলুল হকের মূল বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহ থানার দেউলাবাড়ি গ্রামে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং ফতুল্লার একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। নিহতের মেয়ে ফারজানা তার অভিযোগে জানান, প্রায় এক বছর আগে তার ছোট ভাই ফারুককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ফারুক হত্যা মামলার বাদী ছিলেন তার বাবা ফজলুল হক। মামলাটি আপস বা প্রত্যাহার করার জন্য আসামিরা বিভিন্ন সময় তার বাবাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ কারণে তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন ফারজানা ও তার পরিবার। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ১৭ জুলাই রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল সৈয়দপাড়া ক্যানেলপাড় এলাকার আহসান ভিলার (মিয়া বাড়ি) সামনে এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতে এক নারীর সঙ্গে

ছেলে হত্যা মামলার বাদীকে পিটিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মো. ফজলুল হক (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ফজলুল হক ছিলেন তার ছেলে হত্যা মামলার বাদী। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রবিন (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৭ জুলাই রাতে হামলার শিকার হওয়া ওই বৃদ্ধ চিকিৎসাধীন অবস্থা শেষে রোববার (১৯ জুলাই) সকালে মারা যান।  নিহত ফজলুল হকের মূল বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহ থানার দেউলাবাড়ি গ্রামে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং ফতুল্লার একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। নিহতের মেয়ে ফারজানা তার অভিযোগে জানান, প্রায় এক বছর আগে তার ছোট ভাই ফারুককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ফারুক হত্যা মামলার বাদী ছিলেন তার বাবা ফজলুল হক। মামলাটি আপস বা প্রত্যাহার করার জন্য আসামিরা বিভিন্ন সময় তার বাবাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ কারণে তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন ফারজানা ও তার পরিবার। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ১৭ জুলাই রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল সৈয়দপাড়া ক্যানেলপাড় এলাকার আহসান ভিলার (মিয়া বাড়ি) সামনে এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতে এক নারীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় নোবেল শেখের। এ সময় স্থানীয় একজন তাকে থাপ্পড় দিয়ে ঝগড়া থামাতে বলেন। একইভাবে ফজলুল হকও ঝগড়া না করার পরামর্শ দেন। পরে নোবেল ফোন করে তার কয়েকজন সহযোগীকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন। তারা আসার পর ফজলুল হককে মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে ১৮ জুলাই তিনি বাড়ি ফিরেন। ১৯ জুলাই সকালে ভাড়া বাসায় হঠাৎ রক্তবমি করে মারা যান ফজলুল হক। এ ঘটনার খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, এ ঘটনায় মো. রবিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow