ছেলেকে ব্রিজ থেকে নদীতে ফেলে মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টা, নিখোঁজ শিশু
কুষ্টিয়ায় চার মাস বয়সী শিশু সন্তানকে ব্রিজ থেকে নদীতে ফেলে দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন যমুনা খাতুন নামের এক নারী। তবে নৌকার মাঝিরা তাকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ রয়েছে তার ছেলে সাইফ ওসমান হাদি। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার গড়াই নদীর হরিপুর সেতু ওপর এ ঘটনা ঘটে। যমুনা খাতুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর গ্রামের আব্দুল আলীমের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে সেতুর ওপর থেকে এক নারী তার শিশুসন্তানকে হরিপুর সেতু থেকে নদীতে ফেলে দেন। পরে তিনিও নদীতে ঝাঁপ দেন। এ সময় নদীতে অবস্থানরত কয়েকজন নৌকার মাঝি ওই নারীকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। পরে তারা শিশু হাদিকে খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে উদ্ধার করতে পারিনি । খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটির বাবা আব্দুল আলীম জানান, তার স্ত্রী যমুনা খাতুন সন্তানকে নিয়ে কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর বেলতলা এলাকায় আমার বাড়ীতে অবস্থান করছিলো। শুক্রবার বিকেলে সে সেখান থেকে এসে হরিপুর সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে প্রথমে আমার ছেলে হাদিকে নদীতে ছুড়ে ফেলে। পরে নিজেও নদীতে ঝাঁপ দেয়। তিনি আরও বলেন, তার স্ত্রীর মানসিক
কুষ্টিয়ায় চার মাস বয়সী শিশু সন্তানকে ব্রিজ থেকে নদীতে ফেলে দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন যমুনা
খাতুন নামের এক নারী। তবে নৌকার মাঝিরা তাকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ রয়েছে তার ছেলে সাইফ
ওসমান হাদি।
শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার গড়াই নদীর হরিপুর সেতু ওপর এ ঘটনা ঘটে। যমুনা খাতুন
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর গ্রামের আব্দুল আলীমের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে সেতুর ওপর থেকে এক নারী তার শিশুসন্তানকে হরিপুর সেতু থেকে
নদীতে ফেলে দেন। পরে তিনিও নদীতে ঝাঁপ দেন।
এ সময় নদীতে অবস্থানরত কয়েকজন নৌকার মাঝি ওই নারীকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। পরে তারা শিশু
হাদিকে খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে উদ্ধার করতে পারিনি । খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়।
শিশুটির বাবা আব্দুল আলীম জানান, তার স্ত্রী যমুনা খাতুন সন্তানকে নিয়ে কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর
বেলতলা এলাকায় আমার বাড়ীতে অবস্থান করছিলো। শুক্রবার বিকেলে সে সেখান থেকে এসে হরিপুর সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে প্রথমে আমার ছেলে হাদিকে নদীতে ছুড়ে ফেলে। পরে নিজেও নদীতে ঝাঁপ দেয়।
তিনি আরও বলেন, তার স্ত্রীর মানসিক সমস্যা রয়েছে।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরশেদ আলী জানান, স্থানীয়দের ফোন পেয়ে তারা নদী পাড়ে
গিয়েছিলেন। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা শিশুটির সন্ধানে নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে। খবর পেয়ে এরই মধ্যে খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য রওনা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, নদী থেকে উদ্ধার হওয়ার পর ওই নারীকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং কান্নাকাটি করছেন। এ কারণে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত জানতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
What's Your Reaction?