ছেলের নিথর দেহ দেখে মায়ের চিৎকার, কী ঘটেছিল

গোপালগঞ্জ শহরের মিয়াপাড়া কাজী অফিস রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আল-আমিন শেখ নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) রাতে এই রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত রিকশাচালক আল-আমিন শেখ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানাধীন পানিপাড়া গ্রামের সরোয়ারজান ঠাকুরের ছেলে কামরুল ঠাকুর (৫৫) রিকশাচালক আল-আমিনকে সঙ্গে নিয়ে ডা. রবিউল ইসলাম তুহিনের বাড়িতে প্রবেশ করেন। সে সময় অজ্ঞাত আরও এক ব্যক্তি তাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আল-আমিনের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হচ্ছিল বলে স্থানীয়রা জানান। পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে কামরুল ঠাকুর কৌশলে আল-আমিনের মাকে গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে এনে ওই বাসায় রেখে চম্পট দেন। ঘরে ঢুকে আল-আমিনের মা নিজের ছেলের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মরদেহ দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানা পু

ছেলের নিথর দেহ দেখে মায়ের চিৎকার, কী ঘটেছিল

গোপালগঞ্জ শহরের মিয়াপাড়া কাজী অফিস রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আল-আমিন শেখ নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২০ মে) রাতে এই রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত রিকশাচালক আল-আমিন শেখ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানাধীন পানিপাড়া গ্রামের সরোয়ারজান ঠাকুরের ছেলে কামরুল ঠাকুর (৫৫) রিকশাচালক আল-আমিনকে সঙ্গে নিয়ে ডা. রবিউল ইসলাম তুহিনের বাড়িতে প্রবেশ করেন। সে সময় অজ্ঞাত আরও এক ব্যক্তি তাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আল-আমিনের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হচ্ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে কামরুল ঠাকুর কৌশলে আল-আমিনের মাকে গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে এনে ওই বাসায় রেখে চম্পট দেন। ঘরে ঢুকে আল-আমিনের মা নিজের ছেলের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মরদেহ দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কামরুল ঠাকুরসহ অন্যদের খোঁজা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow