ছোট দলগুলোকে মন্ত্রী-এমপির প্রস্তাব দিয়ে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ছোট দলগুলোকে মন্ত্রী-এমপির প্রস্তাব দিয়ে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ফারুক হাসান। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ‘রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সংলাপটির আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)। ফারুক বলেন, ‘সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসনসহ প্রতিটি অঙ্গ যেন একপক্ষীয় হয়ে পড়েছে। যার ফলে এই নির্বাচনকে আমি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিজম ইলেকশন’ নাম দিয়েছি।’ গণঅধিকার পরিষদের এ নেতা অভিযোগ করেন, ‘আমরা যা-ই বলি না কেন, যা হওয়ার তাই হবে। তা এরই মধ্যে পূর্বনির্ধারিত বলে আমরা বুঝতে পারছি। বড় রাজনৈতিক দলগুলো এক নগ্ন খেলায় মেতেছে। বহুমতকে সম্মান জানানোর বদলে ছোট দল ও তারুণ্যের শক্তিগুলোকে মন্ত্রিত্ব বা এমপির (সংসদ সদস্য) প্রস্তাব দিয়ে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে আমি নিজেদের নির্দোষ বলছি না। আমরাও রাজনৈতিক ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছি না। বড় দলগুলোর দায়িত্ব ছিল দেশের ও জনগণের স্বার্থে রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা

ছোট দলগুলোকে মন্ত্রী-এমপির প্রস্তাব দিয়ে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ছোট দলগুলোকে মন্ত্রী-এমপির প্রস্তাব দিয়ে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ফারুক হাসান।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) ‘রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সংলাপটির আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

ফারুক বলেন, ‘সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসনসহ প্রতিটি অঙ্গ যেন একপক্ষীয় হয়ে পড়েছে। যার ফলে এই নির্বাচনকে আমি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিজম ইলেকশন’ নাম দিয়েছি।’

গণঅধিকার পরিষদের এ নেতা অভিযোগ করেন, ‘আমরা যা-ই বলি না কেন, যা হওয়ার তাই হবে। তা এরই মধ্যে পূর্বনির্ধারিত বলে আমরা বুঝতে পারছি। বড় রাজনৈতিক দলগুলো এক নগ্ন খেলায় মেতেছে। বহুমতকে সম্মান জানানোর বদলে ছোট দল ও তারুণ্যের শক্তিগুলোকে মন্ত্রিত্ব বা এমপির (সংসদ সদস্য) প্রস্তাব দিয়ে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে আমি নিজেদের নির্দোষ বলছি না। আমরাও রাজনৈতিক ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছি না। বড় দলগুলোর দায়িত্ব ছিল দেশের ও জনগণের স্বার্থে রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা।’

গণমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা বিগত ১৫ বছর একজনকে ভিলেন বানিয়েছিল, তারাই এখন তাকে হিরো হিসেবে উপস্থাপন করছে। কোনো নেতার দেশে আসার সময় গণমাধ্যমে সেকেন্ডে সেকেন্ডে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে। কত কিলোমিটার এসেছে, কত মিটার ওপরে আছে ইত্যাদি।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারুক বলেন, ‘দেশের গোয়েন্দাপ্রধান কোনো একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে হাজিরা দেন। এটা সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থি। বাংলাদেশে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও নীতি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি।’

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে গণঅধিকার পরিষদের এ নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিএনপিপ্রধানকে ২০ তারিখের আগে সাংগঠনিক সফরে না বেরোনোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর সব ক্ষমতা যেখানে কমিশনের হাতে চলে যায়, সেখানে কমিশন যদি এভাবে অনুরোধ জানায়, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, সেটা ভাবা হাস্যকর। কমিশন ও সরকারকে এখানে আরও দৃঢ় ও শক্ত হতে হবে, অন্যথায় বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না।’

অনুষ্ঠানে সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সভাপতিত্ব করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

এমএইচএ/একিউএফ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow