ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ছাদের পানি নিচে পড়াকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা উত্তরপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত খোরশেদ মিয়া (৬০) ওই গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে। অভিযুক্ত ছোট ভাই মো. রোমেজ মিয়া ওরফে রোমে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, সকালে বাড়ির পাশের এক ভাতিজার নির্মাণাধীন দুতলা ভবনের ছাদে সেদ্ধ ধান শুকাতে যান খোরশেদ মিয়া। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় তিনি ঝাড়ু দিয়ে ছাদের পানি সরাতে থাকেন। এ সময় পানি নিচতলায় গড়িয়ে পড়ে। নিচতলার একটি কক্ষে রোমেজ মিয়ার ধানের বস্তা রাখা ছিল। পানি পড়াকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে রোমেজ মিয়া সেখান থেকে চলে গিয়ে কিছুক্ষণ পর একটি কোদাল নিয়ে ফিরে আসেন। পরে অতর্কিতভাবে বড় ভাই খোরশেদ মিয়ার বুকে কোদাল দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্ত্রী হাছনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা খুন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ছাদের পানি নিচে পড়াকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা উত্তরপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত খোরশেদ মিয়া (৬০) ওই গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে। অভিযুক্ত ছোট ভাই মো. রোমেজ মিয়া ওরফে রোমে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, সকালে বাড়ির পাশের এক ভাতিজার নির্মাণাধীন দুতলা ভবনের ছাদে সেদ্ধ ধান শুকাতে যান খোরশেদ মিয়া। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় তিনি ঝাড়ু দিয়ে ছাদের পানি সরাতে থাকেন। এ সময় পানি নিচতলায় গড়িয়ে পড়ে। নিচতলার একটি কক্ষে রোমেজ মিয়ার ধানের বস্তা রাখা ছিল। পানি পড়াকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে রোমেজ মিয়া সেখান থেকে চলে গিয়ে কিছুক্ষণ পর একটি কোদাল নিয়ে ফিরে আসেন। পরে অতর্কিতভাবে বড় ভাই খোরশেদ মিয়ার বুকে কোদাল দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী হাছনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। নিহতের ছেলে হাসানসহ স্থানীয়রাও দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
What's Your Reaction?