ছয় ম্যাচে ছয় হার নোয়াখালীর
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক মৌসুমে দুঃসময় যেন পিছু ছাড়ছেই না নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। টুর্নামেন্টে টানা হারের ধারাবাহিকতায় এবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটের পরাজয়ের মাধ্যমে ছয় ম্যাচে ছয় হার পূর্ণ হলো দলটির। দিনের প্রথম ম্যাচে এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাসে ভর করেছে রাজশাহী।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান সংগ্রহ করে নোয়াখালী। পাওয়ার প্লেতে উইকেট না হারালেও রান তুলতে পারেনি দ্রুতগতিতে। দলীয় ৫৭ রানে দীপুর বিদায়ের মধ্য দিয়ে প্রথম ধাক্কা খায় ইনিংস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।
সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকেই আসে নোয়াখালীর সবচেয়ে বড় স্বস্তি। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কা। মাঝের ওভারে মোহাম্মদ নবি ২৬ বলে করেন ৩৫ রান, আর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ছোট কিন্তু কার্যকর ১০ রান যোগ করেন। শেষদিকে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোর আটকে যায় মাঝারি মানে।
জবাবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শুরুটা ছিল দৃঢ়। ওপেনিং জুটিতে মোহাম্মদ ওয়াসিম ও তানজিদ হাসান তামিম ৫ ওভারেই যোগ করেন ৪৭ রান। তানজিদ আউট হন ২১ রানে, এরপর দ্রুতই ফিরেন অধিনা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক মৌসুমে দুঃসময় যেন পিছু ছাড়ছেই না নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। টুর্নামেন্টে টানা হারের ধারাবাহিকতায় এবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটের পরাজয়ের মাধ্যমে ছয় ম্যাচে ছয় হার পূর্ণ হলো দলটির। দিনের প্রথম ম্যাচে এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাসে ভর করেছে রাজশাহী।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান সংগ্রহ করে নোয়াখালী। পাওয়ার প্লেতে উইকেট না হারালেও রান তুলতে পারেনি দ্রুতগতিতে। দলীয় ৫৭ রানে দীপুর বিদায়ের মধ্য দিয়ে প্রথম ধাক্কা খায় ইনিংস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।
সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকেই আসে নোয়াখালীর সবচেয়ে বড় স্বস্তি। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কা। মাঝের ওভারে মোহাম্মদ নবি ২৬ বলে করেন ৩৫ রান, আর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ছোট কিন্তু কার্যকর ১০ রান যোগ করেন। শেষদিকে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোর আটকে যায় মাঝারি মানে।
জবাবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শুরুটা ছিল দৃঢ়। ওপেনিং জুটিতে মোহাম্মদ ওয়াসিম ও তানজিদ হাসান তামিম ৫ ওভারেই যোগ করেন ৪৭ রান। তানজিদ আউট হন ২১ রানে, এরপর দ্রুতই ফিরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ২২ বলে ১৯ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
ওয়ানডাউন থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। ডানহাতি এই ওপেনার ৩৫ বলে ৬০ রান করে রাজশাহীর জয়ের ভিত গড়ে দেন। শেষদিকে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও রায়ান বার্ল ও তানজিম হাসান সাকিব ঠান্ডা মাথায় কাজ শেষ করেন। ৬ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী।
বোলিংয়ে রাজশাহীর হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিপন মণ্ডল—৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। এ ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত, বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।
ছয় ম্যাচ শেষে এখনো জয়ের দেখা না পাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য টুর্নামেন্টের বাকি পথ যে আরও কঠিন হতে চলেছে, সেটাই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।