জকসু ক্রীড়া সম্পাদককে থাপ্পড়: নেলী সাময়িক বহিষ্কার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদককে থাপ্পড় মারার ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেত্রী সাদিয়া সুলতানা নেলীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনডোর গেমসকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, খেলার ফলাফল নিয়ে বিরোধের জেরে ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান নেলী। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে সবার সামনে তাকে থাপ্পড় মারেন তিনি। ঘটনার পরপরই বিষয়টি ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নেলীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বলেন, “পূর্বেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমরা এ ধরনের আচরণকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেব না। আপাতত তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়কও দায় এড়াতে পারেন না, তাই তাকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদককে থাপ্পড় মারার ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেত্রী সাদিয়া সুলতানা নেলীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনডোর গেমসকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, খেলার ফলাফল নিয়ে বিরোধের জেরে ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান নেলী। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে সবার সামনে তাকে থাপ্পড় মারেন তিনি।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নেলীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বলেন, “পূর্বেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমরা এ ধরনের আচরণকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেব না। আপাতত তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়কও দায় এড়াতে পারেন না, তাই তাকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
What's Your Reaction?