জকসুতে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিচ্ছেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত রসায়ন বিভাগে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনের শুরু থেকেই এ বিভাগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে। বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, রসায়ন বিভাগে মোট ভোটার সংখ্যা ৫৩৫ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৮০টির মতো ভোট সংগ্রহ করা হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোট প্রদানের হার ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিন বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের রসায়ন বিভাগ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটারদের সুশৃঙ্খল দীর্ঘ সারি। বিভাগের নবীন থেকে প্রবীণ সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে কেন্দ্রটি মুখর হয়ে ওঠে। অনেক শিক্ষার্থীকে ভোট দেওয়ার পর দলবেঁধে ছবি তুলতে এবং বিজয় চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়। রসায়ন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আকরাম আহমেদ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথমবার ভোট দিচ্ছি, এটা অন্যরকম এক অনুভূতি। আমাদের বিভাগে ভোটের পরিবেশ খুবই চমৎকার। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই, সবাই লাইন ধরে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছি। প্রথম বর্ষে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত রসায়ন বিভাগে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনের শুরু থেকেই এ বিভাগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে।
বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, রসায়ন বিভাগে মোট ভোটার সংখ্যা ৫৩৫ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৮০টির মতো ভোট সংগ্রহ করা হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোট প্রদানের হার ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিন বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের রসায়ন বিভাগ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটারদের সুশৃঙ্খল দীর্ঘ সারি। বিভাগের নবীন থেকে প্রবীণ সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে কেন্দ্রটি মুখর হয়ে ওঠে। অনেক শিক্ষার্থীকে ভোট দেওয়ার পর দলবেঁধে ছবি তুলতে এবং বিজয় চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়।
রসায়ন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আকরাম আহমেদ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথমবার ভোট দিচ্ছি, এটা অন্যরকম এক অনুভূতি। আমাদের বিভাগে ভোটের পরিবেশ খুবই চমৎকার। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই, সবাই লাইন ধরে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছি।
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, প্রথম ভোটার হিসেবে একটু নার্ভাস ছিলাম, কিন্তু বড় ভাইবোনদের সহযোগিতা এবং সুন্দর পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান জানান, রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দিচ্ছেন। দুপুর পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভোট সংগৃহীত হয়েছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রায় শতভাগ ভোট কাস্টিং হবে।
উল্লেখ্য, বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে ৬টি ওএমআর মেশিনে ব্যালট গণনা করা হবে এবং সন্ধ্যা নাগাদ কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ফল ঘোষণা করা হবে।
What's Your Reaction?