জঙ্গল থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের নয় দিন পর বিল্লাল হোসেন (৪০) নামের এক ধান ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের জারুলতলা এলাকার অঞ্জনাঝুড়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বজনরা বলছে, স্থানীয় নৃ গোষ্ঠীর সঙ্গে টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৯ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে নানান ভিত্তিহীন তথ্য। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার জারুলতলা গ্রামের মৃত গোলাপ হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন ৪ আগস্ট রাত ১০টার দিকে চা পানের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। ঝিনাইগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন স্বজনরা। পরে বুধবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে থানা পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ আশেপাশের প্রত্যেক বাড়িতে নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। পর

জঙ্গল থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের নয় দিন পর বিল্লাল হোসেন (৪০) নামের এক ধান ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের জারুলতলা এলাকার অঞ্জনাঝুড়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনরা বলছে, স্থানীয় নৃ গোষ্ঠীর সঙ্গে টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৯ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে নানান ভিত্তিহীন তথ্য। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার জারুলতলা গ্রামের মৃত গোলাপ হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন ৪ আগস্ট রাত ১০টার দিকে চা পানের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। ঝিনাইগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন স্বজনরা। পরে বুধবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে থানা পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ আশেপাশের প্রত্যেক বাড়িতে নিয়মিত টহল দিচ্ছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বিকেলে অঞ্জনাঝুড়া এলাকায় কয়েকজন শিশু-কিশোর মাছ ধরতে যায়। এ সময় তারা একটি স্থান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানায়। পরে গ্রামবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল চারটার দিকে ঝিনাইগাতী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাটি খুঁড়ে বিল্লালের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম এবং নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আফসান আল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

মরিয়ম নগর ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার লরেন শ্রীমেরো বলেন, ‘এখানে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা ঘটেছে। বিল্লাল হোসেনের হত্যায় যারা জড়িত তাদের শাস্তি চাই কিন্তু কোনো সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানি না হয়, সেই দাবি জানাচ্ছি। আর পুলিশ সুপার, আমাদের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আশ্বস্ত করেছেন, এখানে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটবে না।’

পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘একজন ধান ব্যবসায়ী গত চার তারিখ হতে নিখোঁজ। এ ঘটনায় থানায় জিডি হয়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ সদস্যরা গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখে আসছে। নিহত ব্যবসায়ীর দুই সন্তান, মা ও ভাই রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নৃ গোষ্ঠীদের বাড়িতে হামলা-লুটপাট ও মারধর হওয়ার তথ্যগুলো অসত্য। আর পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মো. নাঈম ইসলাম/কেজে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow