জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির পানিতে ‘বিষ’
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় অবস্থিত একটি পুলিশ ফাঁড়ির পান করার পানিতে কৌশলে বিষ মেশানোর অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) সকালে ফাঁড়ির সদস্যরা পানিতে অস্বাভাবিক সাদা ফেনা ও তীব্র দুর্গন্ধ লক্ষ্য করলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান।
জানা গেছে, সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর আলীনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যরা প্রতিদিনের মতো পানীয় পানি ব্যবহার করতে গিয়ে গ্লাসে ঢালার পর পানিতে সাদা ফেনা ও বিষাক্ত গন্ধ অনুভব করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা পানি পান থেকে বিরত থাকেন। ফলে কোনো পুলিশ সদস্যের শারীরিক ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে পানির নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পানিতে কোনো বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানার ওসি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় অবস্থিত একটি পুলিশ ফাঁড়ির পান করার পানিতে কৌশলে বিষ মেশানোর অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) সকালে ফাঁড়ির সদস্যরা পানিতে অস্বাভাবিক সাদা ফেনা ও তীব্র দুর্গন্ধ লক্ষ্য করলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান।
জানা গেছে, সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর আলীনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যরা প্রতিদিনের মতো পানীয় পানি ব্যবহার করতে গিয়ে গ্লাসে ঢালার পর পানিতে সাদা ফেনা ও বিষাক্ত গন্ধ অনুভব করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা পানি পান থেকে বিরত থাকেন। ফলে কোনো পুলিশ সদস্যের শারীরিক ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে পানির নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পানিতে কোনো বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ঘটনার বিষয়ে আমিও অবগত হয়েছি। শুনেছি পানির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে কারা বা কী উদ্দেশ্যে এমন কাজ করেছে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এলাকাটি ভূমিদস্যুমুক্ত করতে প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব অভিযান ব্যাহত করতে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র বিভিন্ন সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে ওই এলাকায় র্যাবের ক্যাম্পে হামলা, গুলিবর্ষণ এবং স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এলাকা থেকে সরিয়ে দিতে বিভিন্ন ধরনের অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রশাসনের ধারণা। এসব কারণে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।