জনগণই নির্বাচনের জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে : ড. জালাল
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবেন দেশের জনগণ ও ভোটাররাই। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নে বিএনপির প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারত, গণসংযোগ ও পথসভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। ড. জালাল উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ ধানের শীষেই ভোট দিতে আগ্রহী। এই বাস্তবতায় চাঁদপুর-২ আসনে ধানের শীষের পরাজয়ের কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। ভোটের ব্যবধান কত হবে, সেটিও জনগণই নির্ধারণ করবেন। নির্বাচনী পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তিনি সম্মানের সঙ্গেই দেখছেন এবং সবাই মিলে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে চান। ভোটাররা স্বাধীনভাবে যাকে খুশি ভোট দেবেন। নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ ও বাধাহীন হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। ড. জালাল উদ্দিন আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। সে
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবেন দেশের জনগণ ও ভোটাররাই।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নে বিএনপির প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারত, গণসংযোগ ও পথসভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. জালাল উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ ধানের শীষেই ভোট দিতে আগ্রহী। এই বাস্তবতায় চাঁদপুর-২ আসনে ধানের শীষের পরাজয়ের কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। ভোটের ব্যবধান কত হবে, সেটিও জনগণই নির্ধারণ করবেন।
নির্বাচনী পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তিনি সম্মানের সঙ্গেই দেখছেন এবং সবাই মিলে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে চান। ভোটাররা স্বাধীনভাবে যাকে খুশি ভোট দেবেন। নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ ও বাধাহীন হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।
ড. জালাল উদ্দিন আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মতলবকে শিল্প, বাণিজ্য ও পর্যটননির্ভর আধুনিক জনপদে রূপান্তর করা হবে। এতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে স্থানীয় তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের বাক্স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল বিএনপির আন্দোলনের মূল লক্ষ্য। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে জনগণ আরও নির্ভয়ে মতপ্রকাশ ও কাজ করার সুযোগ পাবে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে সব ধরনের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য আলমগীর সরকার, মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বশির আহাম্মদ খান, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক জিতু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামিউল বাসার, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল পাটোয়ারী, ছেংগারচর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ফরাজীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
What's Your Reaction?