জনগণকে নিয়েই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে: আমির খসরু

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থ-পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার মধ্য দিয়েই শহীদ জিয়ার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব। শনিবার (৩০ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কাজীর দেউড়ি মোড়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) চট্টগ্রাম এই কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দুস্থ, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। আমির খসরু বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। এখানেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তবে তাকে হত্যা করা হলেও তার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন। তার নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে

জনগণকে নিয়েই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে: আমির খসরু

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থ-পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার মধ্য দিয়েই শহীদ জিয়ার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কাজীর দেউড়ি মোড়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) চট্টগ্রাম এই কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দুস্থ, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

আমির খসরু বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। এখানেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তবে তাকে হত্যা করা হলেও তার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন। তার নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করেছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই তাদের স্বার্থ, চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, সুখ-দুঃখ ও প্রত্যাশার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত রেখে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘বিএনপি একা কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এবং সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘শহীদ জিয়া ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখ সমরে বীরোচিত অংশগ্রহণ জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়ার শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। খাল কাটা কর্মসূচি ও পোশাকশিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে তিনি দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন।’

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিনসহ প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow