জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মর্মান্তিক মৃত্যু

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘মেট্রোনাড’ নামে পরিচিত মার্কিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রজার এলিয়ট মুর মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৩ বছর। সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন ম্যাগাজিন পিপল–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ১১ মে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি ১৫ মে প্রকাশ্যে আসে। নিউ ইয়র্ক সিটির অফিস অব দ্য চিফ মেডিকেল এক্সামিনারের এক মুখপাত্র তরুণ এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘ব্লান্ট ফোর্স ট্রমা’ বা শরীরে ভোঁতা বস্তুর তীব্র আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। রজার এলিয়ট মূলত কৌতুকধর্মী ও স্কিটভিত্তিক ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। Syracuse University থেকে ২০২৪ সালে সিনেমাটোগ্রাফি ও ফিল্ম প্রোডাকশনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম, টিকটক ও ইউটিউবে মিলিয়ে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ২০ লাখেরও বেশি। তার মৃত্যুর পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক স্মরণ পোস্টে বলা হয়, রজার তার চলচ্চিত্র নির্মাণ দক্ষতাকে ভিডিও গেমস, অ্যানিমেশন, ফ্যাশন ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মর্মান্তিক মৃত্যু

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘মেট্রোনাড’ নামে পরিচিত মার্কিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রজার এলিয়ট মুর মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৩ বছর।

সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন ম্যাগাজিন পিপল–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ১১ মে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি ১৫ মে প্রকাশ্যে আসে।

নিউ ইয়র্ক সিটির অফিস অব দ্য চিফ মেডিকেল এক্সামিনারের এক মুখপাত্র তরুণ এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘ব্লান্ট ফোর্স ট্রমা’ বা শরীরে ভোঁতা বস্তুর তীব্র আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

রজার এলিয়ট মূলত কৌতুকধর্মী ও স্কিটভিত্তিক ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। Syracuse University থেকে ২০২৪ সালে সিনেমাটোগ্রাফি ও ফিল্ম প্রোডাকশনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

ইনস্টাগ্রাম, টিকটক ও ইউটিউবে মিলিয়ে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ২০ লাখেরও বেশি।

তার মৃত্যুর পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক স্মরণ পোস্টে বলা হয়, রজার তার চলচ্চিত্র নির্মাণ দক্ষতাকে ভিডিও গেমস, অ্যানিমেশন, ফ্যাশন ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করতেন। ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও বড় হয়ে ওঠার নানা অনুভূতি তিনি তার কাজের মাধ্যমে তুলে ধরতেন।

পোস্টে আরও বলা হয়, তার আরও অনেক গল্প বলার ইচ্ছা ছিল। এখন তার পরিবার ও বন্ধুরা সেই অসমাপ্ত কাজগুলোকে সম্মান জানানোর পরিকল্পনা করছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow