জনপ্রিয় সেই ‘টোয়াইলাইট’ ছবির রিমেক বানাবেন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট

হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভ্যাম্পায়ার রোমান্টিক চলচ্চিত্র সিরিজ ‘টোয়াইলাইট’ তাকে চলচ্চিত্র জগতে পরিচিতি এনে দিয়েছিল। তিনি সম্প্রতি জানিয়েছেন, এ সিরিজের ছবির রিমেক পরিচালনা করতে খুব আগ্রহী। ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট এন্টারটেইনমেন্ট টুনাইটকে বলেন, ‘এটা আমি সত্যিই চাই। আমি ক্যাথরিন হার্ডউইকের কাজ পছন্দ করি। ক্রিস উইটজের কাজও পছন্দ করি। সব পরিচালকের কাজই ভালো লেগেছে। তারা নিজেদের মতো অভিনব, অদ্ভুত মেধাবী।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘যদি সম্ভব হয়, আমি চাই এই প্রজেক্টের জন্য বড় বাজেট এবং ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থন পাই। হ্যাঁ, অবশ্যই আমি রিমেক করব। আমি করব! আমি পুরোপুরি দায়বদ্ধ কাজটি করতে।’আরও পড়ুনযৌন হেনস্তার অভিযোগে অস্কারজয়ী স্মিথের বিরুদ্ধে মামলামার্চে আসছে বিটিএসের নতুন অ্যালবাম ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট মূল ‘টোয়াইলাইট’ সিরিজে রবার্ট প্যাটিনসন এবং টেলর লটনারের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। ২০০৮ সালের মূল সিনেমার পরে চারটি সিক্যুয়েল আসে। ২০০৯ সালের ‘নিউ মুন’, ২০১০ সালের ‘ইক্লিপস’, ২০১১ সালের ‘ব্রেকিং ডন - পার্ট ১’ এবং ২০১২ সালের ‘ব্রেকিং ডন - পার্ট ২’ মুক্তি পায়। পুরো

জনপ্রিয় সেই ‘টোয়াইলাইট’ ছবির রিমেক বানাবেন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট

হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভ্যাম্পায়ার রোমান্টিক চলচ্চিত্র সিরিজ ‘টোয়াইলাইট’ তাকে চলচ্চিত্র জগতে পরিচিতি এনে দিয়েছিল। তিনি সম্প্রতি জানিয়েছেন, এ সিরিজের ছবির রিমেক পরিচালনা করতে খুব আগ্রহী।

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট এন্টারটেইনমেন্ট টুনাইটকে বলেন, ‘এটা আমি সত্যিই চাই। আমি ক্যাথরিন হার্ডউইকের কাজ পছন্দ করি। ক্রিস উইটজের কাজও পছন্দ করি। সব পরিচালকের কাজই ভালো লেগেছে। তারা নিজেদের মতো অভিনব, অদ্ভুত মেধাবী।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যদি সম্ভব হয়, আমি চাই এই প্রজেক্টের জন্য বড় বাজেট এবং ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থন পাই। হ্যাঁ, অবশ্যই আমি রিমেক করব। আমি করব! আমি পুরোপুরি দায়বদ্ধ কাজটি করতে।’

আরও পড়ুন
যৌন হেনস্তার অভিযোগে অস্কারজয়ী স্মিথের বিরুদ্ধে মামলা
মার্চে আসছে বিটিএসের নতুন অ্যালবাম

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট মূল ‘টোয়াইলাইট’ সিরিজে রবার্ট প্যাটিনসন এবং টেলর লটনারের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। ২০০৮ সালের মূল সিনেমার পরে চারটি সিক্যুয়েল আসে। ২০০৯ সালের ‘নিউ মুন’, ২০১০ সালের ‘ইক্লিপস’, ২০১১ সালের ‘ব্রেকিং ডন - পার্ট ১’ এবং ২০১২ সালের ‘ব্রেকিং ডন - পার্ট ২’ মুক্তি পায়। পুরো সিরিজ বিশ্বব্যাপী তিন বিলিয়নেরও বেশি আয়ের রেকর্ড করেছে।

যদিও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট ফর্কস, ওয়াশিংটনে ফিরে যেতে খুশি। তবে রবার্ট প্যাটিনসন এতটা তাড়াতাড়ি রাজি নাও হতে পারেন। ২০২২ সালে তিনি জিকিউকে জানিয়েছেন, ‘টোয়াইলাইট’ সেটে কাজ করতে গিয়ে তিনি অনেক সময় বিরক্ত ছিলেন। কারণ স্টুডিও তার দৃষ্টিভঙ্গি মেনে নি। প্যাটিনসন বলেন, ‘আমি চাইছিলাম সিনেমাটি যতটা সম্ভব শিল্পমুখী হোক। আমাদের মধ্যে কিছুটা টানাপোড়েন ছিল, কারণ স্টুডিও ভাবছিলো কিছুটা বেশি আবেগপূর্ণ হলে সমস্যা হবে। আমি সঠিকভাবে অভিনয় করছি কিনা তা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।’

তবে ক্রিস্টেন ‘টোয়াইলাইট’ সিরিজের কোন ছবিটি রিমেক করতে চান সে নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সিরিজের প্রথম ছবিটি দিয়েই শুরু করতে চান।

সম্প্রতি ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট তার পরিচালনায় অভিষেক ঘটিয়েছেন ‘দ্য ক্রোনোলজি অফ ওয়াটার’ ছবির মাধ্যমে। সিনেমাটিতে ইমোজেন পুটস, থোরা বার্চ এবং জিম বেলুশি অভিনয় করেছেন। গল্পটি একজন নারীর শৈশবের ট্রমা কাটিয়ে ওঠার কাহিনি। সেখানে তিনি সাতার ও লেখার মাধ্যমে নিজেকে সামলে নেন।

এই সিনেমা ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টকে ২০২৬ সালের ভ্যারাইটি’র দশজন নজরকাড়া পরিচালকের তালিকায় স্থান করে দিয়েছে।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow