জনসচেতনতা তৈরিতে গুলশানে ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ কর্মসূচি

জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উদ্যোগে ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ শীর্ষক এক মিনিটের প্রতীকী নীরবতা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে গুলশান-২ চত্বরে সচেতনতামূলক এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গুলশান-২ ক্রসিংয়ের ট্রাফিক সিগন্যালে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—চারদিকে এক মিনিটের জন্য রেড সিগন্যাল রাখা হয়। একই সঙ্গে আগত যানবাহনের চালকদের গাড়ি থেকে নেমে এক মিনিট নীরবতা পালনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। চালকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন এবং পূর্বনির্ধারিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—নো হর্ন, নো ডাস্ট। ডিএমপি জানায়, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাসহ পুরো গুলশান এলাকায় অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজানো এবং রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যে ডিএনসিসি ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে। এক মিনিটের এই নীরবতা কর্মসূচি ছিল একটি প্রতীকী আয়োজন, যার মাধ্যমে গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কর্মসূচিতে গুলশান বিভাগ ট্রাফিকের ডিসি মিজানুর রহমান শেলীসহ দেড়

জনসচেতনতা তৈরিতে গুলশানে ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ কর্মসূচি

জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উদ্যোগে ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ শীর্ষক এক মিনিটের প্রতীকী নীরবতা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে গুলশান-২ চত্বরে সচেতনতামূলক এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এ সময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গুলশান-২ ক্রসিংয়ের ট্রাফিক সিগন্যালে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—চারদিকে এক মিনিটের জন্য রেড সিগন্যাল রাখা হয়।

একই সঙ্গে আগত যানবাহনের চালকদের গাড়ি থেকে নেমে এক মিনিট নীরবতা পালনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। চালকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন এবং পূর্বনির্ধারিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—নো হর্ন, নো ডাস্ট।

ডিএমপি জানায়, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাসহ পুরো গুলশান এলাকায় অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজানো এবং রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যে ডিএনসিসি ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে। এক মিনিটের এই নীরবতা কর্মসূচি ছিল একটি প্রতীকী আয়োজন, যার মাধ্যমে গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

কর্মসূচিতে গুলশান বিভাগ ট্রাফিকের ডিসি মিজানুর রহমান শেলীসহ দেড় শতাধিক ট্রাফিক সহায়তাকারী উপস্থিত ছিলেন।

কেআর/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow