জব্দ ঘোড়া বিক্রির অভিযোগে সেই ওসি প্রত্যাহার
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় জব্দ করা ঘোড়া গোপনে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পর অবশেষে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর আগে, গত ৩১ মার্চ ‘কালবেলা’-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জব্দ করা ঘোড়াগুলো গোপনে বিক্রির অভিযোগ ওঠে ওসির বিরুদ্ধে। সংবাদটি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে তোলপাড় সৃষ্টি করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ কালিয়াকৈরের খলিশাজানি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে জবাইয়ের প্রস্তুতিকালে ৯টি ঘোড়া উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেগুলো থানায় হেফাজতে রাখা হয়। এ সময় একটি অসুস্থ ঘোড়া মারা যায়। অভিযোগ রয়েছে, গত রোববার ভোরে ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন গোপনে এক ব্যক্তির কাছে অবশিষ্ট ৮টি ঘোড়া বিক্রি করে দেন। তবে সোমবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং ঘোড়াগুলো ফেরত এনে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য নিলামের আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএইচএম ফখরুল হোসাইন বলেন, ঘোড়াগুলো যথাযথ প
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় জব্দ করা ঘোড়া গোপনে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পর অবশেষে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৩১ মার্চ ‘কালবেলা’-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জব্দ করা ঘোড়াগুলো গোপনে বিক্রির অভিযোগ ওঠে ওসির বিরুদ্ধে। সংবাদটি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে তোলপাড় সৃষ্টি করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ কালিয়াকৈরের খলিশাজানি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে জবাইয়ের প্রস্তুতিকালে ৯টি ঘোড়া উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেগুলো থানায় হেফাজতে রাখা হয়। এ সময় একটি অসুস্থ ঘোড়া মারা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, গত রোববার ভোরে ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন গোপনে এক ব্যক্তির কাছে অবশিষ্ট ৮টি ঘোড়া বিক্রি করে দেন। তবে সোমবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং ঘোড়াগুলো ফেরত এনে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য নিলামের আয়োজন করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএইচএম ফখরুল হোসাইন বলেন, ঘোড়াগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। আগের ঘটনাটি নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনের জন্যই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন দাবি করেন, ঘোড়াগুলো বিক্রি করা হয়নি; সাময়িকভাবে একজনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। পরে সেগুলো থানায় ফিরিয়ে এনে নিয়ম মেনে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
তবে ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ফেরত আনা ঘোড়াগুলোর মধ্যে কয়েকটির রঙে অমিল থাকার অভিযোগও ওঠে, যা নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করে।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ এবং ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার ওই ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন। তার স্থলে নতুন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে।
What's Your Reaction?