জমির ই-রেজিস্ট্রেশন চালুর বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

ভোগান্তি লাঘবে জমির ই-রেজিস্ট্রেশন (ডিজিটাল নিবন্ধন) চালুর বিধান রেখে ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক, সময়োপযোগী ও ডিজিটাল করতে ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন সংশোধন করে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, ভুল ফি বা কর আদায়ে দায়ী হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে। একই সঙ্গে আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অধ্যাদেশে ই-রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিধি অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ ও নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে। এজন্য সরকার প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন করবে। অধ্যাদেশে দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিক্রয়ের পাশাপাশি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অনুযায়ী

জমির ই-রেজিস্ট্রেশন চালুর বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

ভোগান্তি লাঘবে জমির ই-রেজিস্ট্রেশন (ডিজিটাল নিবন্ধন) চালুর বিধান রেখে ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক, সময়োপযোগী ও ডিজিটাল করতে ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন সংশোধন করে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

সংশোধনী অনুযায়ী, ভুল ফি বা কর আদায়ে দায়ী হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে। একই সঙ্গে আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাদেশে ই-রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিধি অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ ও নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে। এজন্য সরকার প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন করবে।

অধ্যাদেশে দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আগের আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিক্রয়ের পাশাপাশি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অনুযায়ী হেবা ঘোষণা, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণা নিবন্ধনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতার’ শব্দ দুটি সংযোজন করা হয়েছে।

আইনে নতুন উপ-ধারা যুক্ত করে বলা হয়েছে, পরিদর্শন বা অন্য কোনোভাবে যদি প্রমাণ হয় যে কোনো দলিল অনিয়মিত ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্কে নিবন্ধিত হয়েছে, তবে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল দাখিলের ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।

এছাড়া, নতুন বিধান অনুযায়ী, আবেদন দাখিলের ৩০ দিনের মধ্যেই তা নিষ্পত্তি করতে হবে।

সংশোধিত অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, দলিল নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত সব ফি, কর, সার্ভিস চার্জ ও শুল্ক দলিল উপস্থাপনের সময়ই পরিশোধ করতে হবে। এসব অর্থ আদায়ের পদ্ধতি এবং সার্ভিস চার্জ ব্যবহারের নিয়ম সরকার বিধির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে।

আরএমএম/এএমএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow