জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু করছে চসিক
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বর্ষা মৌসুমের আগেই বিশেষ পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে খাল-নালা পরিষ্কার ও খনন কার্যক্রম চালানো হবে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) টাইগারপাসে অবস্থিত নগরভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান। চসিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনে জামালখান লিচুবাগান, এনায়েত বাজার ও আন্দরকিল্লা সেবক কলোনি; এই তিনটি ওয়ার্ডে কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে নগরীর সব ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নালাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। এ জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী ও ওয়ার্ডভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা সুপারভাইজারদের সমন্বয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো কার্যক্রম তদারকিতে থাকবেন ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি আরও বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার চসিককে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়েছে। অর্থ ছাড় হলে ছোট নালা পরিষ্কারের আওতায় অন্তত ৫০০টি নালা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। গত বছর ১৪৮টি নালা পরিষ্কারের ফলে ব
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বর্ষা মৌসুমের আগেই বিশেষ পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে খাল-নালা পরিষ্কার ও খনন কার্যক্রম চালানো হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) টাইগারপাসে অবস্থিত নগরভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনে জামালখান লিচুবাগান, এনায়েত বাজার ও আন্দরকিল্লা সেবক কলোনি; এই তিনটি ওয়ার্ডে কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে নগরীর সব ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নালাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। এ জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী ও ওয়ার্ডভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা সুপারভাইজারদের সমন্বয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো কার্যক্রম তদারকিতে থাকবেন ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট।
তিনি আরও বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার চসিককে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়েছে। অর্থ ছাড় হলে ছোট নালা পরিষ্কারের আওতায় অন্তত ৫০০টি নালা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। গত বছর ১৪৮টি নালা পরিষ্কারের ফলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমেছিল।
পরিবেশ সংরক্ষণ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বর্ষা গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। প্রতিটি ওয়ার্ডে নেওয়া সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও গাছের সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নালা-খালে দুর্ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজন হলে অস্থায়ী বেষ্টনী স্থাপন এবং খোলা ম্যানহোলগুলো দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে। পাশাপাশি নালা-ড্রেনে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পিলারজনিত প্রতিবন্ধকতা দূর করার কথাও বলা হয়েছে।
সড়ক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, পুরোনো সড়কের ওপর নতুন স্তর বসানোর পরিবর্তে পুরোনো সড়ক অপসারণ করে নতুন করে নির্মাণ করা প্রয়োজন। তা না হলে সড়ক উঁচু হয়ে পাশের এলাকা নিচু হয়ে জলাবদ্ধতা বাড়ে।
তিনি আরও বলেন, বন্দর থেকে চসিকের প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ অর্থ পাওয়া গেলে নগর উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে।
সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?