জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের পক্ষে দুই পরাশক্তি
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উপসাগরীয় দেশগুলোর উত্থাপিত ‘রক্ষণাত্মক ও সমন্বিত প্রচেষ্টার’ একটি খসড়া প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন।
এছাড়াও এ প্রস্তাবে নিরাপত্তা পরিষদের ১১টি দেশ পক্ষে এবং দুই সদস্য (পাকিস্তান ও কলম্বিয়া) ভোটদানে বিরত ছিল।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ওই প্রস্তাব আনে নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সভাপতি বাহরাইন। খবর বিবিসি
প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর খসড়া প্রস্তাবটি বেশ কিছুটা শিথিল করা হয়। শুরুতে এটি ‘চ্যাপ্টার সেভেন’ (যা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেয়) এর অধীনে থাকলেও, পরে সেখান থেকে চ্যাপ্টার সেভেন সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ‘প্রতিরক্ষামূলক সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি’ দেওয়ার পরিবর্তে পরিশেষে কেবল রক্ষণাত্মক প্রচেষ্টাকে ‘জোরালোভাবে উৎসাহিত’ করার বিষয়টি রাখা হয়েছিল।
বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ভোটের আগে তিনি পরিষদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই খসড়া প্রস্তাবটি কোনো নতুন পরিস্থিতি তৈরি করছে না, বরং এটি ইরানের পক্ষ
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উপসাগরীয় দেশগুলোর উত্থাপিত ‘রক্ষণাত্মক ও সমন্বিত প্রচেষ্টার’ একটি খসড়া প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন।
এছাড়াও এ প্রস্তাবে নিরাপত্তা পরিষদের ১১টি দেশ পক্ষে এবং দুই সদস্য (পাকিস্তান ও কলম্বিয়া) ভোটদানে বিরত ছিল।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ওই প্রস্তাব আনে নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সভাপতি বাহরাইন। খবর বিবিসি
প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর খসড়া প্রস্তাবটি বেশ কিছুটা শিথিল করা হয়। শুরুতে এটি ‘চ্যাপ্টার সেভেন’ (যা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেয়) এর অধীনে থাকলেও, পরে সেখান থেকে চ্যাপ্টার সেভেন সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ‘প্রতিরক্ষামূলক সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি’ দেওয়ার পরিবর্তে পরিশেষে কেবল রক্ষণাত্মক প্রচেষ্টাকে ‘জোরালোভাবে উৎসাহিত’ করার বিষয়টি রাখা হয়েছিল।
বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ভোটের আগে তিনি পরিষদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই খসড়া প্রস্তাবটি কোনো নতুন পরিস্থিতি তৈরি করছে না, বরং এটি ইরানের পক্ষ থেকে বারবার ঘটে যাওয়া প্রতিকূল আচরণের একটি যথাযথ জবাব যা অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের (অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার) বিরুদ্ধে সাড়া দিতে নিরাপত্তা পরিষদ যদি ব্যর্থ হয়, তবে বিশ্বের জন্য তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। এটি অন্যান্য প্রণালী বা জলপথের ক্ষেত্রেও উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, যা পুরো বিশ্বকে এক ‘জঙ্গলে’ পরিণত করবে।