জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের জুনের পর সেশনজট থাকবে না: উপাচার্য

২০২৭ সালের জুন মাসের পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কোনো কোর্সেই আর সেশনজট থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে গতি আনা, সিলেবাস আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের বিষয়ে ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোর্সেই সেশনজট থাকবে না। শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে ‘গণমাধ্যমবিষয়ক তিন মাস মেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স ২০২৬’ এর নতুন ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন পরীক্ষায় অনিয়ম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯৭ শিক্ষার্থীকে শাস্তি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ঢেলে সাজানোর কাজে হাত দিয়েছি। বিশ্বমানের দক্ষতাভিত্তিক কোর্স চালু, সিলেবাস আধুনিকায়ন এবং বিশ্বের নামী-দামি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের জুনের পর সেশনজট থাকবে না: উপাচার্য

২০২৭ সালের জুন মাসের পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কোনো কোর্সেই আর সেশনজট থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে গতি আনা, সিলেবাস আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের বিষয়ে ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোর্সেই সেশনজট থাকবে না।

শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে ‘গণমাধ্যমবিষয়ক তিন মাস মেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স ২০২৬’ এর নতুন ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ঢেলে সাজানোর কাজে হাত দিয়েছি। বিশ্বমানের দক্ষতাভিত্তিক কোর্স চালু, সিলেবাস আধুনিকায়ন এবং বিশ্বের নামী-দামি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারবো।

শিক্ষার্থীদের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কর্মজীবনে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গতানুগতিক ও পুরোনো সিলেবাস পরিবর্তন করে যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানে উন্নীত করার পাশাপাশি কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।

‌‌‘এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও আনন্দময় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মনন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে ‘‘পারফর্মিং আর্টস কলেজ’’ স্থাপনের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে’—যোগ করেন উপাচার্য।

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীল চর্চাই দেশ ও সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারে জানিয়ে ড. আমানুল্লাহ বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ এবং গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে সংবাদ পরিবেশনে বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা বজায় রাখা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। অপতথ্য ও ভুয়া সংবাদের ভিড়ে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের স্বাধীন, অনুসন্ধানী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। তিনি বলেন, বিগত সাত বছর ধরে পিআইবি যে দীর্ঘ সেশনজটের মুখোমুখি ছিল, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই স্থবিরতা কাটতে শুরু করেছে। শুধু পিআইবি নয়, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের কোর্স-কারিকুলাম প্রণয়নেও তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

পিআইবির সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে দুজন বক্তব্য দেন। এ সময় পিআইবির সমন্বয়ক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এএএইচ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow