জাতীয় বীর ও বরেণ্য ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষণের আহ্বান আলালের
জাতীয় বীর ও বরেণ্য ব্যক্তিদের জীবন, কর্ম ও অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, গুণীজনদের নিয়ে যত বেশি আলোচনা হবে, সমাজ তত বেশি সমৃদ্ধ হবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশের ইতিহাস ও কৃতী ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে। বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আক্তারুল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আরও পড়ুন বিরোধীদলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মানুষকে বিচার করতে হলে তার দোষ, গুণ, সক্ষমতা ও অক্ষমতা— সবকিছু মিলিয়েই বিচার করা উচিত। আক্তারুল আলমের জীবন ও কর্মের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সিম্পল লিভিং, হাই থিংকিং’ একজন মানুষের জীবনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। আক্তারুল আলম ছিলেন সেই দর্শনের অনুসারী ব্যক্তিদের একজন। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন গুণীজন তাদের লেখনী ও কর্মের মাধ্যমে সমাজকে সচেতন ও আলোকিত করার চেষ্টা করেন। আক্তারুল আলম তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। বাংলা ভাষার বৈ
জাতীয় বীর ও বরেণ্য ব্যক্তিদের জীবন, কর্ম ও অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি বলেন, গুণীজনদের নিয়ে যত বেশি আলোচনা হবে, সমাজ তত বেশি সমৃদ্ধ হবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশের ইতিহাস ও কৃতী ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।
বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আক্তারুল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মানুষকে বিচার করতে হলে তার দোষ, গুণ, সক্ষমতা ও অক্ষমতা— সবকিছু মিলিয়েই বিচার করা উচিত। আক্তারুল আলমের জীবন ও কর্মের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সিম্পল লিভিং, হাই থিংকিং’ একজন মানুষের জীবনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। আক্তারুল আলম ছিলেন সেই দর্শনের অনুসারী ব্যক্তিদের একজন।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন গুণীজন তাদের লেখনী ও কর্মের মাধ্যমে সমাজকে সচেতন ও আলোকিত করার চেষ্টা করেন। আক্তারুল আলম তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা এবং সমাজে অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বদের গুরুত্ব তুলে ধরে আলাল বলেন, মানুষের জীবন গঠনে এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে অতীতে আয়োজিত বিভিন্ন স্মরণসভার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানসহ জাতীয় বরেণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।
এসময় জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভান্ডার গঠনের প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন এক উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের কৃতী ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আরও বলেন, জাতীয় বীর ও গুণীজনদের নিয়ে যত বেশি আলোচনা হবে, আমরা তত বেশি সমৃদ্ধ হবো। আক্তারুল আলমদের মতো ব্যক্তিত্ব যুগ যুগ ধরে মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

