জাবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনে তালা, ৭ দফা দাবিতে বিক্ষোভ
ভিসি ও প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাদের পদত্যাগ ও সাত দফা দাবিতে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন একদল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চলমান ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। অধিকাংশ বিভাগে ক্লাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। জানা গেছে, আন্দোলনকারীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটে ‘ভিসি ও প্রো-ভিসির পদত্যাগ চাই’ লেখা ব্যানার টানিয়ে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। ব্যানারে ডিপিপির নামে দুর্নীতি ও কালক্ষেপণ, নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি এবং তড়িঘড়ি করে সিন্ডিকেট সভা ডাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শহীদের রক্তের প্রতি অবমাননা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। ডিপিপির নামে সময়ক্ষেপণ ও অর্থ অপচয় করা হয়েছে এবং প্রশাসনের ছত্রছায়ায় নিয়োগ বাণিজ্য অব্যাহত রাখা হয়েছে।
ভিসি ও প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাদের পদত্যাগ ও সাত দফা দাবিতে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন একদল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চলমান ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। অধিকাংশ বিভাগে ক্লাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
জানা গেছে, আন্দোলনকারীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটে ‘ভিসি ও প্রো-ভিসির পদত্যাগ চাই’ লেখা ব্যানার টানিয়ে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। ব্যানারে ডিপিপির নামে দুর্নীতি ও কালক্ষেপণ, নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি এবং তড়িঘড়ি করে সিন্ডিকেট সভা ডাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শহীদের রক্তের প্রতি অবমাননা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। ডিপিপির নামে সময়ক্ষেপণ ও অর্থ অপচয় করা হয়েছে এবং প্রশাসনের ছত্রছায়ায় নিয়োগ বাণিজ্য অব্যাহত রাখা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাকে ঘিরে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলেও দাবি করা হয়। স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রো-ভিসির ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, অথচ জমিদাতা পরিবারগুলোর সদস্যরা বঞ্চিত হয়েছেন- এমন অভিযোগও তোলা হয়।
ব্যবস্থাপনা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুবর্ণা বলেন, আমরা কিছুই জানতাম না। সকালে এসে দেখি প্রশাসনিক ভবনে তালা। ক্লাস বন্ধ, পরীক্ষা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারী শিক্ষক আল মামুন সরকার বলেন, ৫ আগস্টের পর আমাকে একটি দায়িত্ব দেয়া হয়, বাস কিনতে লুটপাট করতে গিয়ে যেনতেনভাবে আমাকে সেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে আমাকে বরখাস্ত করা হয়। আমরা ন্যায় বিচার চাই।
তিনি বলেন, কোন ক্লাস,পরীক্ষা বন্ধ করে আমরা আন্দোলন করছি না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাদীকুর রহমান বলেন, ভিসি, প্রো-ভিসি স্যার আসছেন। স্যাররা আসলে আলাপ আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
What's Your Reaction?