জামানত হারালেন হান্নান মাসউদের বাবা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ঘটেছে ব্যতিক্রমী এক রাজনৈতিক ঘটনা। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছেলের কাছে জামানত হারিয়েছেন বাবা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক ভিন্ন দুই দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, শাপলা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আব্দুল হান্নান মাসউদ ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে তার বাবা মাত্র ৫০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারান। নির্বাচন কমিশন-এর বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে মাসউদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মাহবুবের রহমান শামীম, যিনি পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল আজিম (হরিণ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৮৩ ভোট, তান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ঘটেছে ব্যতিক্রমী এক রাজনৈতিক ঘটনা। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছেলের কাছে জামানত হারিয়েছেন বাবা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক ভিন্ন দুই দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, শাপলা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আব্দুল হান্নান মাসউদ ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে তার বাবা মাত্র ৫০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারান।
নির্বাচন কমিশন-এর বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এই আসনে মাসউদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মাহবুবের রহমান শামীম, যিনি পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল আজিম (হরিণ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৮৩ ভোট, তানভীর উদ্দিন রাজিব (ফুটবল) ৩ হাজার ৭৬৪ ভোট, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শরীফ (হাতপাখা) ২ হাজার ১৭৯ ভোট, মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব (তারা) ১ হাজার ২৩৯ ভোট, এটিএম নাবী উল্যাহ (লাঙ্গল) ২৮০ ভোট, মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন (ট্রাক) ১৯১ ভোট এবং মোহাম্মদ আবুল হোসেন (ছাতা) পেয়েছেন ৮৬ ভোট।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৪ জন। মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩২টি, যার মধ্যে বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৭টি ভোট। ভোটদানের হার ছিল ৫১ দশমিক ৪০ শতাংশ। মোট ভোটের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৩ হাজার ২৪৮টি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শাপলা কলি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ছাড়া আরও আটজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হাতিয়ায় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী কয়েকটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া নানা দিক থেকে বঞ্চিত— সবাই মিলে এই জনপদকে আলোকিত করবে, এমনটাই প্রত্যাশা করি।
What's Your Reaction?